ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি কেজিতে ৬ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১৪ টাকা হতে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২২ টাকা পুর্ননির্ধারণ করেছে সরকার। নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি কৃষি। এখানকার অধিকাংশ মানুষই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির সাথেই জড়িত। ফসল উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রাসায়নিক সার। কৃষকদের একদিকে যেমন উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি ফসলের অতিরিক্ত দামে প্রভাব পড়ছে নিম্ন-আয়ের মানুষের উপর।
সরকারি নতুন মূল্য তালিকায় কৃষক পর্যায়ে যেখানে প্রতি বস্তা ইউরিয়া সারের দাম ১ হাজার ১ শত টাকা বিক্রির কথা থাকলেও নানান তাল বাহানায় খুচরা ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত দরে বিক্রি করছেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষক ইমরান মিয়ার সাথে এই প্রতিবেদককে কথা হলে। তিনি বলনে, সকালে সারের দোকানে সার কিনতে গিয়ে শুনতে পায়। ইউরিয়া সারের দাম প্রতি বস্তায় ৩ শত টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার। অন্যদিকে এমওপি সার প্রতি বস্তায় দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। এভাবে সব জিনিসের দাম বাড়লে কৃষকদের চাষবাদ ছেড়ে দিতে হবে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সার তেল বিষ সব জিনিসের দাম বেশি, আর ধানের দাম কম।
এবার বর্ষায় বৃষ্টি নেই, সেচ পাম্পের মাধ্যমে জমিতে সেচ দিয়ে আমন ধানের চারা রোপন করেছি। তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় হাল চাষাবাদে খরচ বেড়েছে। চারা রোপনে খরচ বেড়েছে। এভাবে সব জিনিসের দাম বাড়লে ধান উৎপাদনের খরচ জোটানো সম্ভব না।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এসএ/আরএএম