বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

২১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

২১ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> আজ খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

>> ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের পরিবর্তন চান ভোটাররা : ভ্যান্স

>> ৮ শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু

>> ইয়েমেনে সৌদির ব্যাপক হামলা, নিহত ২০

>> জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেফতার ইকবাল সোবহান

>> জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত

>> মেট্রোরেলসহ তিন প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থায়ন চায় বাংলাদেশ

>> একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

>> প্রমাণ মিলেছে যৌন হয়রানির রিপোর্ট কখনই প্রকাশ করবে না বিসিবি

>> মার্কিন ভোটাররা বিরক্ত হলে ইসরাইলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হবো: ট্রাম্প

আপনি পড়ছেন : মতামত

মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণ: রাষ্ট্রের সক্ষমতা ও বাস্তবতা


মোঃ ওমর ফারুক
DhakaReport24.com || 2023-03-12 21:04:45
মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণ: রাষ্ট্রের সক্ষমতা ও বাস্তবতা

নতুন কারিকুলাম এর সফল বাস্তবায়নে শিক্ষকদের জন্য একটি মানসম্মত বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্নপূরণের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরকে জাতীয়করণ এখন সময়ের দাবি। তবে এক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাস্তব চিত্র যেমন বিবেচ্য তেমনি শিক্ষকদের মান এবং জাতীয়করণ হলে আউটপুট কি হবে রাষ্ট্র তথা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকগণ অবশ্যই এ বিষয়গুলি বিবেচনায় রাখবেন। পাশাপাশি রাষ্ট্রের সক্ষমতা কেউ আমলে নিতে হবে। বর্তমান শিক্ষা মন্তব্য সরকারের সদিচ্ছা থাকায় এরই মধ্যে সরকারি কলেজ ও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বিহীন প্রতিটি উপজেলাতে একটি করে কলেজ ও মাধ্যমিক স্কুলকে জাতীয়করণ করা হয়েছে। সরকার চাইলে রাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়ার সাথে সাথে কিছু শর্ত বা ইন্ডিকেটর পূরণ সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে পুরো মাধ্যমিক সেক্টরকে জাতীয়করণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন। যেহেতু বেসরকারি এমপিও ভুক্ত বিদ্যালয় গুলোতে কর্মরত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতনের শতভাগ অর্থই সরকার রাষ্ট্রীয় কোষাগার হতে প্রদান করে থাকে যদিও সরকারি কোষাগারে ওই বিদ্যালয় সমূহের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে আদায়কৃত বেতনাদি সহ বিদ্যালয়ের নিজস্ব সম্পদ থেকে অন্যান্য আয় অথবা অনুদানের অর্থ জমা নেওয়া হয় না! শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ হলে উল্লিখিত আয়ের সমূহ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে। এতে রাষ্ট্রীয় কোষাগারও সমৃদ্ধ হবে বৈকি! বর্তমানে এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের বেতনাদি বাবদ প্রদয় অর্থের পাশাপাশি বাড়তি কয়েক হাজার কোটি টাকার ব্যবস্থা জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ রাখলে মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণ অসম্ভব হবে না। তবে এক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে রাষ্ট্রের সক্ষমতার ব্যাপারটিও। কেননা করোণা মহামারীর কারণে সারা বিশ্বের আর্থিক সক্ষমতার মেরুদন্ড অনেকখানি দুর্বল হয়ে গিয়েছে! তাছাড়া রাষ্ট্রের সক্ষমতাও কিন্তু হঠাৎ করেই বাড়ে না, ধীরে ধীরে পর্যায়ক্রমে একটি দেশ উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্নপূরণে এগিয়ে যায়। বর্তমানে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নয়নশীল দেশ। তবে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আগামী ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে পৌঁছে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আশা-জাগানিয়া সংবাদ। সরকারের সেই লক্ষ্য পূরণে উন্নত রাষ্ট্রের ন্যায় এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে উন্নত রাষ্ট্র থেকে নতুন কারিকুলাম আমদানি করা হয়েছে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় লেগেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া। 

নতুন কারিকুলাম এর সফল বাস্তবায়নে শিক্ষকগণের ভূমিকা মুখ্য। আমাদের শিক্ষকগণ ভালো থাকলে শিক্ষা ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত গুণগত পরিবর্তন ও মান উন্নয়ন সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদার পাশাপাশি আর্থিক নিরাপত্তা দিতে হবে। নতুন কারিকুলামে কোচিং প্রাইভেট টিউশনিকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এদিকে নন এমপিও শিক্ষকগণ সরকারের কাছ থেকে কোন আর্থিক অনুদান পান না অর্থাৎ তাদেরকে বেতন ভাতার সরকারি অংশ দেওয়া হয় না। যদিও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের শতভাগ বেতন দেওয়া হয়; তবে বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা অত্যন্ত নগণ্য! তাছাড়া ভবিষ্যৎ চিন্তায় কল্যাণ তহবিলে ১০ ভাগ অর্থ কেটে রাখা হয় এই সামান্য অর্থে বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে একজন শিক্ষক আত্মসম্মান ও সামাজিক মর্যাদা নিয়ে শিক্ষকতার মতো মহান পেশায় টিকে থাকা এবং ছাত্র-ছাত্রীর কাছে অনুকরণীয় আদর্শ ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রেজেন্ট করা খুবই চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে!

এদিকে নতুন কারিকুলামে প্রাইভেট টিউশনি ও কোচিং বাণিজ্যকে পুরোপুরি নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এ বিষয়টি সচেতন শিক্ষকগণ যেমন বুঝতে পেরেছেন, তেমনি শিক্ষক প্রশিক্ষণের সময় শিক্ষক প্রশিক্ষকগণ ও রুট লেভেলের শিক্ষকদের এই মেসেজটি ভালোভাবে বুঝিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন। এমনিতেই বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে সরকারি, বেসরকারি, এমপিওভুক্ত, নন এমপিও ভুক্ত অর্থাৎ সকল পর্যায়ের শিক্ষকগণ তাদের নির্দিষ্ট আয়ের উপর চলতে হিমশিম খাচ্ছেন। অন্যদিকে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের শুরুতে প্রাইভেট টিউশনি ও কোচিং বাণিজ্যের সুযোগ না থাকার আশঙ্কায় ভবিষ্যতে আরো কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন বলে ধারণা করছেন। যার ফলে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের শুরুতেই শিক্ষকগণ এক জোট হয়ে গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সকল এমপিভুক্ত প্রতিষ্ঠান (মাধ্যমিক স্তর ) জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনে সোচ্চার হয়েছেন। প্রথমে এ আন্দোলন ছোট্ট পরিসরে শুরু হলেও বর্তমানে তা গণদাবিতে পরিণত হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে তারা অনশনসহ শিক্ষক মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছেন। যা বছরের শুরুতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষার স্বাভাবিক অধিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেছে। যা শিক্ষার মতো এমন গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না! 

যদিও এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণের দাবি তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে! কারণ হিসেবে তারা বলছেন, বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে স্বল্প আয়ে তাদের না খেয়ে মরার উপক্রম অবস্থা হয়েছে, অন্যদিকে নতুন কারিকুলাম প্রাইভেট বা টিউশনিকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে এবং শিক্ষকদের বাড়তি আয়ের এই পথ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় তাঁরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন; এর কারণ এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বেতন ভাতা অত্যন্ত নগণ্য!


প্রারম্ভিক বেতন মাত্র ১২,৫০০টাকা। এছাড়া তাঁরা মাত্র ১,০০০ টাকা বাড়ি ভাড়া ও ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পেয়ে থাকেন। যে টাকা থেকে ১০ ভাগ কর্তন করা হয়ে থাকে! বর্তমান বাজারদরে এই সামান্য অর্থ দিয়ে সাধারণভাবে বেঁচে থাকাও অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের মূল চালিকাশক্তি শিক্ষকগণ যদি আর্থিক সংকট নিয়ে এবং তাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করে অর্থাৎ শিক্ষককে বঞ্চিত রেখে উন্নত দেশের কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভবপর নয় বলে বিদগ্ধজনেরা মনে করেন। উল্লেখ্য, আমদানিকৃত কারিকুলাম যে সকল উন্নত রাষ্ট্র থেকে আনা হয়েছে তেমন একটি রাষ্ট্রের একজন শিক্ষকের বার্ষিক গড় আয় ৫৩ লক্ষ টাকার উপরে! অথচ আমাদের দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত একজন শিক্ষকের বেতন ভাতা মিলিয়ে বছরে গড়ে চার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকার বেশি নয়! অর্থাৎ উন্নত রাষ্ট্রের একজন শিক্ষকের এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ বেতন ভাতা এদেশের একজন সরকারি স্কুলের শিক্ষক সারা বছর ধরে আয় করে থাকেন! যা আমাদের অর্থনীতির ভিত কতটা দুর্বল এবং এদেশে একজন শিক্ষকের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক নিরাপত্তা মর্যাদা কোন পর্যায়ে রয়েছে তা' সহজে অনুমেয়।

হ্যাঁ একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, যুদ্ধ-বিধ্বস্ত একটি দুর্বল ও ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশ থেকে আমরা পর্যায়ক্রমে অনেক দূর এগিয়ে এসেছি। তবে রাষ্ট্রীয় ভাবে আমাদের বর্তমান যে সক্ষমতা হয়তো সেই সক্ষমতায় এই মুহূর্তে একযোগে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ সম্ভব নাও হতে পারে, যদিও শিক্ষকদের দাবি অযৌক্তিক নয়। আমার রাষ্ট্রের সক্ষমতা ও বিবেচনায় নিতে হবে। এমত অবস্থায় সরকারকে সবার আগে শিক্ষকদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে। আবার শিক্ষকদেরও রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা এবং বাস্তবতা মাথায় রেখে দাবি জানাতে হবে। আমার দৃষ্টিতে শিক্ষকদের মূল সমস্যা হচ্ছে তাদের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না থাকা। এই বিষয়টি যদি সরকার আন্তরিকভাবে দেখেন এবং নিশ্চয়তা দিতে পারেন তবে শিক্ষকগণ নিশ্চয়ই নমনীয় হয়ে রাজপথ ছেড়ে তাদের সন্তানতুল্য কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে ক্লাসে ফিরে পাঠদানে নিমগ্ন হবেন। 

নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের মূল চালিকাশক্তি সম্মানিত শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিচার বিভাগ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আদলে সকল পর্যায়ের শিক্ষকগণের জন্য একটি মানসম্মত স্বতন্ত্র বেতন স্কেল বাস্তবায়ন করার কোনো বিকল্প নেই। আর এটি করতে পারলে শিক্ষকরা যেমন এই মুহূর্তে একযোগে জাতীয়করণের দাবি থেকে সরে আসতে পারেন তেমনি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া একটি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হতে পারে! হ্যাঁ, একটি মানসম্মত স্বতন্ত্র বেতন স্কেল বাস্তবায়ন ই হতে পারে বর্তমান সময়ে উদ্ভূত সমস্যার চমৎকার সমাধান। এতে করে শিক্ষকগণ তাদের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক নিশ্চয়তা পেয়ে যেমন বিদ্যালয়ে ফিরে আসবেন তেমনি সরকারের একটি নির্বাচনী অঙ্গীকারও পূরণ হবে। পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে কিছু ইন্ডিকেটর নির্ধারণ করে দিয়ে হলেও প্রতি বছর ধাপে ধাপে এবং সরকারের তথা রাষ্ট্রের সক্ষমতার সাথে সাথে পুরো মাধ্যমিক স্তরটি জাতীয়করণের বিষয়টি ও সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। এক্ষেত্রে আগামীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিশন গঠন করা যেতে পারে। যে কমিশন জাতীয়করণের ব্যাপারে একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ একটি প্রস্তাবনা ও তৈরি করবে এবং মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের লক্ষ্যে তাঁদের সুপারিশমালা সরকারকে জমা দিবে। এতে করে শিক্ষকতায় মেধাবীদের আগমন ঘটবে এবং তাদেরকে এ পেশায় ধরে রাখা সম্ভব হবে। আর মেধাবীরা শিক্ষকতায় যুক্ত হলে এবং তাদেরকে ধরে রাখতে পারলে ভবিষ্যতে তাদের হাত ধরেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, দেশপ্রেমিক, স্মার্ট মানবিক ও বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি হবে। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে শামিল হবে-ইনশাআল্লাহ। একইসাথে মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের পাশাপাশি দেশ ও উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্নপূরণে সক্ষমতা অর্জন করবে।

পরিশেষে,

বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ভবিষ্যতের উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্নপূরণে শিক্ষকদের জন্য অচিরেই একটি মানসম্মত স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিবেন-এই প্রত্যাশা করছি।

জয় বাংলা

লেখক:  মোঃ ওমর ফারুক
সহকারী শিক্ষক (বাংলা)
সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, খুলনা
ও
সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (বাসমাশিস), খুলনা জেলা কমিটি; খুলনা।
ই-মেইল এ্যাড্রেস: [email protected]