বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬

৭ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬

৭ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : নওগাঁ

নওগাঁয় ডাবে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার


উত্তাল মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার:
DhakaReport24.com || 2026-07-14
নওগাঁয় ডাবে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

নওগাঁয় ডাবের পানির সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অটোরিকশা চালককে অচেতন করে অটোরিকশা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে একটি প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া একটি অটোরিকশা, একটি মোটরসাইকেল, আটটি মোবাইল ফোন, নগদ ১১ হাজার ৪৩০ টাকা এবং ঘুমের ওষুধ জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে জেলা পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বগুড়া ও গাইবান্ধা জেলায় টানা ১৮ ঘণ্টার অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার লোহাইমুড়ি এলাকার মন্ত মিয়ার ছেলে ইব্রাহীম ওরফে ইমন (৩৪), বরগুনার খেজুরতলা এলাকার ইসাইল হোসেনের ছেলে হুমায়ন কবির (৫০), বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার ফুলদিঘি পূর্বপাড়া এলাকার মজিবর রহমানের ছেলে খাজা মিয়া (৫৬) এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার জিরাই এলাকার ছই মুদ্দিনের ছেলে আব্দুল গফুর (৪১)।

পুলিশ জানায়, গত ১০ জুলাই সকালে এক ব্যক্তি নওগাঁ সদর হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলে একটি অটোরিকশা ভাড়া নেন। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর আরও দুই ব্যক্তি নবজাতকের জন্ম উপলক্ষে মিষ্টি খাওয়ানোর কথা বলে চালকের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে তারা চালককে একটি ডাব খেতে দেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই ডাবের পানিতে আগে থেকেই চেতনানাশক ওষুধ মেশানো ছিল। ডাবের পানি পান করার পর চালক অচেতন হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যান। ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ, অপরাধ-সংক্রান্ত তথ্যভান্ডার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ (এআই) তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করে পুলিশ। পরে বগুড়া ও গাইবান্ধায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারকৃত ইব্রাহীম ও হুমায়নের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে ডাবের পানিতে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে কিংবা নানা কৌশলে মানুষকে অচেতন করে টাকা-পয়সা ও মালামাল হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িত। অপর দুই আসামি খাজা মিয়া ও আব্দুল গফুর প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া মালামাল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম