নওগাঁয় পুরাতন মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম হত্যাকান্ড ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসম নিহত শফিকুলের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ও একটি মটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। শনিবার দুপুরে সদর মডেল থানায় সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
পুলিশ সুপার জানান, গতকাল সদর উপজেলার বারমাসি বিলের কচুরিপানা নিচ থেকে শফিকুলের লাশ উদ্ধার করা হয়। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত জয়নুলকে শহরের একটি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় পরবর্তীতে মান্দা উপজেলা থেকে আশরাফুলকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর জয়নুল এই হত্যাকান্ডের ঘটনা স্বীকার করে।
পুলিশ সুপার বলেন, গত ৭ জুন জেলার মান্দা উপজেলা সুতিহাটে শফিকুলকে হত্যার পরিকল্পনা করে তিনজন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ৮ জুন শফিকুলকে ভীমপুর কলেজ মোড়ে আসতে বললে সেখান থেকে দুইটি মোটরসাইকেলে করে বারোমাসি বিলে পার ঘাটি ব্রিজে চলে যায় তারা। সেখানে হঠাৎ করে পিছন থেকে একজন পলাতক আসামি রশি দিয়ে শফিকুলের গলায় টান দেয়। টান দেওয়ার সাথে সাথে গ্রেফতারকৃত আসামি জয়নুল হাত ও আশরাফুল পা চেপে ধরে। তারপর সে নিস্তেজ হয়ে গেলে তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে তারা তিনজনে পানিতে ডুবিয়ে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখে।
এসময় শফিকুলের কাছে থাকা ১৫০০ টাকা ও মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। লোভ এবং ব্যবসায় কিছুটা লাভবান হওয়ায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এ ধরনের একটি হত্যাকান্ড ঘটনা বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান প্রমূখ উপস্থি ছিলেন।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম