বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬

৭ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬

৭ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : নওগাঁ

 নিয়ামতপুরে আড়ৎ না থাকায়  দুর্ভোগে আম চাষিরা


DhakaReport24.com || 2022-06-13 13:45:00
 নিয়ামতপুরে আড়ৎ না থাকায়  দুর্ভোগে আম চাষিরা

আমের ফলন কম থাকায় আম বিক্রি করে লাভ না হওয়ার অভিযোগ তুলছেন বাগান মালিকেরা। অন্যদিকে উপজেলায় আমের কোন আড়ৎ না থাকায় আম নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বাগান মালিকেরা। নিয়ামতপুর উপজেলায়  গোপালভোগ, গুটি, হাঁড়িভাঙ্গা, নাগ ফজলী, হিমসাগর, ল্যাংড়া, মল্লিকা ও আম্রপালীর  বাগান রয়েছে।

 আম চাষে লাভ না পেয়ে অনেক বাগান মালিকেরা কিছু জমিতে সবজি চাষের ফাঁকেও আমগাছ লাগিয়েছে। জানা যায়, এ বছর বেশি ভাগ গাছেই আমের ভাল মুকুল এসেছিল। তার সঙ্গে ঠিক সময়ে বৃষ্টি হওয়ায় ফলনও ভালো পাওয়া আশা ছিল। কিন্তু কালবৈশাখী ঝড় বৃষ্টিতে আমের ক্ষতি হয়েছে। চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই বাজারে দেখা মিলেছে নানা জাতের আম। নিয়ামতপুরে আম কেনা-বেচার কোন আড়ৎ না থাকায়, বাগান মালিকেরা শ্রমিক দিয়ে আম নামিয়ে পার্শ্ববর্তী উপজেলা ও জেলার আড়ৎগুলোতে আম বিক্রি করে থাকেন।

 উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, নিয়ামতপুর উপজেলায় এবার আম চাষ করা হয়েছে ১ হাজার ৩ শত হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার মেট্রিক টন। ইতোমধ্যে আম পাড়ার সরকারি নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে। অন্যদিকে গাছে থাকা প্রতিটি বাগানেই পাঁকতে শুরু করে আম।

 উপজেলার আম চাষিরা জানান, আমের বোঁটা শক্ত রাখতে মুকুল আসার পর থেকে বেশ কয়েকবার ওষুধ স্প্রে করতে হয়। এ বার সেই সমস্ত কীটনাশকের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি পাহারাদার, আম পাড়া, কার্বাইড দিয়ে তা জাঁক দেওয়া, আম রাখার ঝুঁড়ি কেনা, বাজারে আসার গাড়িভাড়া, আড়ৎদারের কমিশন মিলিয়ে খরচা অনেক বেড়ে গিয়েছে। আমের গায়ে একটু দাগ থাকলে ক্রেতারা আর নিতে চাইছে না। বড় বড় গাছে আম পাড়ার জন্য উঠতে হয় বলে শ্রমিকের মজুরি বেশি। বাধ্য হয়েই যা দাম মিলছে তাতেই আম বিক্রি করতে হচ্ছে। চুক্তিতে যারা বাগান নিয়েছেন তাঁদের দশা আরও করুণ। 

 উপজেলা কৃষি অফিসার আমীর আব্দুল্লাহ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় বাগান থেকে আম পাড়া শুরু হয়েছে। তীব্র গরমে গাছের আম দ্রুত পেঁকে যাওয়ায় চাষিরা একযোগে গাছ থেকে আম পেড়ে বিক্রি শুরু করেছেন। তিনি আরোও বলেন, উপজেলায় আমের তেমন কোন বড় ধরনের বাজার না থাকায় বাগান মালিকদের আম বিক্রি করতে একটু অসুবিধা হয়। উপজেলায় আমের আড়তের বিষয়ে একটি নকশা তৈরি করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে আম চাষিদের দুর্ভোগ লাঘব হবে।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমএম/আরএএম