নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার হাট-বাজারে হঠাৎ সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক স্থানে বোতলজাত করা সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না। অসাধু ব্যবসায়ীরা ঈদকে সামনে রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে খোলা তেল ১৮০-২০০ টাকা করে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে খোলা তেল লিটারে ২০-৩০ টাকা বেড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ভোজ্য তেল আমদানি কম থাকায় বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) সয়াবিন তেল ১৮০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। ঈদ সামনে রেখে ভোজ্য তেলের মূল্য বৃদ্ধি করায় চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে।
তবে বিক্রেতাদের দাবি, গত প্রায় এক সপ্তাহ যাবত কোনো কোম্পানি সয়াবিন তেল পাঠায় নি। দেশে বোতলজাত তেলের বড় বড় কোম্পানিগুলো তেলের সঙ্গে তাদের উৎপাদিত আটা, ময়দা ও সুজির প্যাকেজ করে বিক্রি করছে। তেলের সঙ্গে এসব পণ্য না নিলে শুধুমাত্র বোতলজাত তেল পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মুদি দোকানদার বলেন, কোনো কোম্পানি তেল সাপ্লাই দিচ্ছে না। বিভিন্ন স্থান থেকে চড়া দামে সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তাদের দাবি, ইন্দোনেশিয়া তেল রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পর থেকেই মুনাফা লোভীরা তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে অস্থিরতা ছড়াচ্ছে।
উপজেলার বাসিন্দারা বলেন, সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সয়াবিন তেল বিক্রি হলেও দেখার কেউ নেই। উপজেলার হাট-বাজারে মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় অসাধু মজুতকারীরা মনগড়া দাম নির্ধারণ করে সাধারণ ক্রেতাদের ঠকানোর সুযোগ পাচ্ছে। প্রশাসনের এ উদাসিনতার সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী ক্রেতাদের কাছে অতিরিক্ত মূল্য আদায় করছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বাজার মনিটরিং করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমএইচ/আরএএম