চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলা চুনতি ইউনিয়নের সাতঘর নয়াপাড়া ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিপক্ষের হামলায় আবু জাহেদ নামে এক ব্যক্তি মারাত্মক জখম হয়েছে। আবু জাহেদের সাথে কথা কাটাকাটির পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই এলাকার পূর্ব পাড়ার ৭ নং ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল আলমের ছেলে মোহাম্মদ হারুণ ও মোহাম্মদ জাহেদ সহ ৭/৮ মিলে আবু জাহেদকে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে লাঠি সোটা ও দা-ছুরি নিয়ে মাথায় ও পিঠে আঘাত করে। আবু জাহেদের মাথায় মারাত্মক আঘাতে রক্তপাত হয়ে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩০ ডিসেম্বর রাত ৯টায় সাতঘর নয়াপাড়া হালকুল ব্রিজের ওপর।
আবু জাহেদের স্ত্রী উর্মি সোলতানা সাদিয়া সাদেকা জানিয়েছেন - ২ মাস আগে আবু জাহেদের সাথে বিবাদীর সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছিল। তখন থেকে আমার স্বামীকে বিবাদীগন বিভিন্ন সময় অকথ্যভাষায় গালি গালাজ সহ মেরে গুম করে ফেলবে মর্মে হুমকি ধামকি দিত। ঐদিন পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে নয়া পড়া খালকুল ব্রিজের নিচে বিবাদীরা লুকিয়ে ছিল। আমার স্বামী দোকান থেকে বাড়িতে আসার সময় রাত ৯টায় বিবাদী হারুন, জাহেদ, ওমর ফারুক ও মোহাম্মদ রায়হান সহ আরো ৫/৬ জন মিলে আমার স্বামীকে গুরুতর আহত করে এবং দা দিয়ে মাথায় কোপায়। তাতে আমার স্বামী অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে। পরবর্তীতে আমার স্বামীকে বাড়িতে আসার জন্য কল দিলে আসামী মোহাম্মদ জাহেদ আমার স্বামীর মোবাইল রিসিভ করে বলে "তোর স্বামীকে মেরে ব্রিজে ফেলে আসছি, লাশটা নিয়ে যা"। পরে লোকজন তাকে রক্তাত্ত অবস্থায় লোহাগাড়া থানায় নিয়ে যায়। তারপর পদুয়া হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে নিতে পরামর্শ দেয়। আমরা আবু জাহেদ কে চট্টগ্রাম নিয়ে গেলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করি। বর্তমানে আবু জাহেদ লাইফ সার্পোটে আছে। রোগী অবস্থা আশংকাজনক। প্রচুর রক্তপাত হওয়ায় যে কোন সময় মৃত্যু হতে পারে।
আবু জাহেদের স্ত্রী উর্মি সোলতানা সাদিয়া সাদেকা এব্যাপারে লেহাগাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তদন্ত কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত ফৌজদারী বিধান মতে প্রাথমিক তথ্য বিররণী রিপোর্ট আদালতে প্রেরণ করে। যার স্মারক নং ০১(৩)/১ তারিখ -০১/০১/২০২৩ ।
বিবাদীর পরিবার ও এলাকাবাসী আসামীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করেছেন।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম