জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে কৃষি কাজের ওপর। তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে এখন পুরোপুরি হতাশ কৃষকেরা। কেননা, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সাথে বেড়েছে সারের দাম। ইতোমধ্যে মিরসরাইয়ে কৃষকদের মধ্যে হাহাকার চলছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে আমনধান রোপনের মৌসুম চলছে। আমনধান সাধারণত বৃষ্টির পানিতে রোপন করা হলেও বর্তমানে বৃষ্টি না থাকায় অনেক কৃষক সেচ দিয়ে রোপন করছেন। কিন্তু ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বেকায়দায় পড়েছে কৃষকেরা।
একাধিক কৃষকেরা জানিয়েছে, জ্বালানি তেল ও সারের মূল্যবৃদ্ধির কারনে কৃষিতে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বেকায়দায় এবং লোকসানের মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে এবার পুরো উপজেলা জুড়ে ২০ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষাবাদের সম্ভাবনা আছে।
আবুল কালাম নামের স্থানীয় এক কৃষক বলেন, ডিজেল এবং সারের দাম যে পরিমান বাড়ানো হয়েছে, সামনে হয়তো চাষাবাদ করা বন্ধ করে দিতে হবে।
নুরুল করিম নামের আরেক কৃষক জানান, এখন বৃষ্টি হওয়ার কথা কিন্তু বৃষ্টি নেই্। তাই আমনধান লাগানো হয়েছে সেচ দিয়ে। এদিকে ডিজেলের দাম বেড়ে গেছে তাই পূর্বের চেয়ে অনেক টাকা বেশি দিয়ে সেচ দিতে হচ্ছে। যদি ধানের সঠিক দাম না পাই তাহলে অনেক টাকা লোকসানের সম্মুখিন হতে হবে।
মিরসরাই উপজেলা কৃষি উপ-সহকারি কাজী নুরুল আলম জানান, উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হওয়ার কথা। আমনধান সাধারনত বৃষ্টির পানিতে লাগানো হয়। কিন্তু বর্তমানে বৃষ্টি নেই এতে অনেকে সেচ দিয়ে রোপন করছে। তবে ডিজেল ও ইউরিয়া সার এর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আগের তুলনায় আমন রোপনে কৃষকের খরচ বেশি পড়বে এতে কৃষক যদি ধানের সঠিক দাম না পায় তাহলে বড় ধরণের লসের সম্মুখীন হবে। এতে অনেকে কৃষি কাজে আগ্রহ হারাবে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এসএ/আরএএম