চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে নির্বাচনী পরবর্তীকালে সহিংসতায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রমজান আলী (৩৫) হত্যা মামলার প্রধান আসামি শহিদুল ইসলাম হৃদয়কে (২০) শনিবার বিকালে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে কর্ণফুলী থানার বিশেষ টিম ।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে আসামিরা পলাতক ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা থেকে প্রধান আসামি শহিদুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
গ্রেফতার শহিদুল একই এলাকার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ইছানগর গ্রামের শফিউল আলমের ছেলে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে সে পলাতক ছিলো।
গত ১৫ জুন কর্ণফুলীর চরপাথরঘাটায় শেষ ধাপের ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ভোটগ্রহণের পরদিন রাতে এজহার নামীয় প্রধান আসামি শহিদুলসহ কয়েকজন মিলে রমজান আলীকে ধাওয়া দিয়ে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ আলমগীর বাদী হয়ে ৩ ভাইসহ মোট ৭ জনকে আসামি করে কর্ণফুলী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ আলমগীর বাদি হয়ে কর্ণফুলী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ইছানগর ৭ নম্বর ওয়ার্ড়ের শফিউল আলমের তিন ছেলে শহিদুল ইসলাম হৃদয় (১৯), মো. রাশেদ (২৮) ও খোরশেদ আলম (৩০), আবুল কালাম (৩২), জাহাঙ্গীর আলম পারভেজ (১৮), আরিফুল ইসলাম দুখু (১৯) ও মো. জামালের ছেলে মো. বিজয়কে (২০) আসামি করা হয়। এছাড়া আরও ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয় ।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমএম/আরএএম