শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : নেত্রকোনা

মদনে দুপক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ২৫, বাড়িঘর ভাঙচুর


মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2025-09-13
মদনে দুপক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ২৫, বাড়িঘর ভাঙচুর

নেত্রকোনার মদনে বিবেক হত্যা মামলার নিস্পত্তির জরিমানার টাকা আদায় নিয়ে  দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বাড়ি ঘর ভাংচুর করা অভিযোগ উঠেছে।  শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নে আলমশ্রী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় গুরুতর আহত সম্রাট,কামাল,রুবেল,তারু,মাউজ উদ্দিন,খাইরুল ও আরশ মিয়াকে কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। শরিন ও সাহেলাসহ বাকী আহতরা মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। 

এলাকাবাসী ও থানা সূত্রে জানা গেছে, আলমশ্রী গ্রামের জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ২০১৯ সালে বিবেক নামে এক কৃষক হত্যা হয়। এই হত্যায় ইউপি সদস্য ফারুক মিয়া প্রধান আসামী ছিল। হত্যা মামলাটি গ্রাম বৈঠকের মাধ্যমে নিস্পত্তি হয়  ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে। এ টাকা উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল আলম তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের নিকট টাকা জমা রাখার কথা ছিল। তবে ওই টাকা নিয়ে গড়িমসি করায় ইউপি সদস্য ফারুকের লোকজনের সাথে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান হিরা, বাচ্ছু কামরুল ও বিল্লালের গোত্রের মধ্যে বিরোধ দেখা  দেয়। এ নিয়ে এ সংর্ঘের ঘটনা ঘটে। 

আলমশ্রী গ্রামের মিলন মিয়া জানান, আমি রোকন মিয়ার নিকট থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে একটি জমি বন্ধক রাখি। এই টাকা থেকে বিবেকের মামলা বাবদ ৩০ হাজার টাকা দাবি করে ফারুক মেম্বার। আমি এ টাকা দিতে অস্বীকার করায় আলমশ্রী বাজারে আমাকে মারধর করে। 

ইউপি সদস্য ফারুক মিয়া জানান, আমি ছিলাম বিবেক মামলার প্রধান আসামী। গত ৪০/৪৫ দিন হয়েছে গ্রাম বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসা হয়েছে। আমাদের পাচঁ গোত্রকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা ধরেছে। মাতাব্বরা। এ টাকা এই মাসের  ১৫ তারিখ দেয়ার কথা। আমার ৫০ হাজার টাকা দিলেও তারা টাকা দিচ্ছে না। তবে মিলনের নিকট থেকে রোকনের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা বাবদ দাবি করেছেন এমনকি মিলনকে মারধর করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে ইউপি সদস্য ফারুক মিয়া বিষয়টি অস্বীকার করেন। 

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান তালুকদার হিরা জানান, যারা মামলার আসামী তারা মূলত জরিমানার টাকা দেবে। 

মদন থানার ওসি  শামসুল আলম শাহ বলেন, পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অনেকে আহত হয়েছে। ২০/২৫ বাড়ি ঘর ভাংচুর করা হয়েছে। এখনও কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম