শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি এখনো চূড়ান্ত হয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

>> তাহসিফের মৃত্যু: রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন বান্ধবী দিশা

>> ৪ দেশের জন্য হরমুজের দরজা খুলে দিল ইরান

>> গোপালগঞ্জে সাবেক ৩ ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

>> অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী

>> যুক্তরাষ্ট্রে ৫৪৮ জনের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর

>> আন্দোলনে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের’ উদ্দেশ্য সফল হবে না: রিজভী

>> তুরস্কের পার্লামেন্টে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন

>> পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা

>> দেশের সব কারাগারের জন্য ৭ দফা নির্দেশনা

আপনি পড়ছেন : নেত্রকোনা

মদনে সেতু নির্মাণে অনিয়ম, ধসে গেল এ্যাপ্রোচ


মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2025-08-12
মদনে সেতু নির্মাণে অনিয়ম, ধসে গেল এ্যাপ্রোচ

 নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে সেতু নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার আমিনূল ইসলাম নামীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠাটির বিরুদ্ধে।

নির্মাণের ২ মাস পরেই সামান্য বৃষ্টিতে সেতুর দুই পাশের এ্যাপোচ ধসে যাওয়ায় চলাচলের চরম দূর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার লোকজন।  সেতু নির্মাণ কাজ শেষ  হয় প্রায় দুই মাস গেল। এর পরেই দুই পাড়ের এ্যাপ্রোচ ধসে যায়।  তবে এ নিয়ে এলাকাবাসী বলছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে। আমরা এ বিষয়ে কথা বললেও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কাজটি করে যাওয়ায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। সেতু নির্মাণে যে বরাদ্দ ছিল তার চারভাগের একভাগ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।  

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, দূযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়  অধিদপ্তর হতে ফতেপুর ইউনিয়নে হাসনপুর মনোপাড়া হাদিস মিয়ার বাড়ির নিকট নিয়ামাখালী খালের উপর গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার গার্ডার  দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু/ কালভার্ট নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পে ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে কেন্দুয়া উপজেলার আমিনূল ইসলাম নামীয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি কাজ পায়। যার কার্যাদেশ মূল্য ১ কোটি ৭ লাখ ৯১ হাজার ৭২০ টাকা।

এ নিয়ে হাসনপুর গ্রামের মহেন্দ্র চন্দ্র বর্মন,নরেন্দ্র চন্দ্র বর্মন,হাদিস মিয়া, আসদ মিয়া বলেন, এর আগে এখানে বর্ষাকালে বাশেঁর একটি সেতু থাকত এটাই ভাল ছিল। ঠিকাদার যেভাবে কাজ করছে কিছু কইলেই ক্ষমতার দাপট দেখাইছে। যেভাবে মনচায় সে ভাবেই কাজ করে গেছে গা। সেতু দুই পাড়ে যে ইট দিছে কয়েক দিনের বৃষ্টিতে পড়ে গেছে। এখন এই সেতু দিয়ে মালামাল আনতে গেলে ভয়ে ভয়ে আনতে হয়।  সেতু নির্মাণে যে বরাদ্দ ছিল তার চারভাগের একভাগ অর্থ ব্যয় করা হয়েছে । দুই পাড়ে যেভাবে ইট দিয়েছে  বর্ষাকালেই সব ভাইঙ্গা পড়বে। আর কিছুই থাকব না। বিষয়টি সরকারের উচ্ছ পর্যায়ের লোকজন দেখার জন্য তারা আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার সফি জানান, আওয়ামী লীগের ঠিকাদার আমিনূল। কাজটি  শুরু থেকেই ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কাজটি নিম্নমানের করে। এ নিয়ে আমি তাকে বার বর বলেছি। বিষয়টি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে বলেছি।  

এ বিষয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রোফাইটর আমিনূল ইসলাম বলেন, নিম্নমানের কাজ করার কোন সুযোগ নেই। সেতুটি নির্মাণের সময় ইউএনও স্যারসহ অনেক কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন। তবে সেতুর দুই পাড়ের এ্যাপ্রোচ ধসে গেল কেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরও জানান, নতুন মাটিতে এ্যাপ্রোচের  কিছু ইট সড়ে গেছে। বৃষ্টি কমলে দুই পাড় আবার মাটি দিয়ে নতুন করে এ্যাপ্রোচ করা হবে। আমরা  কিছু দিন হল কাজটি শেষ করেছি। এখনো সব বিল পাইনি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, এ্যাপ্রোচের মাটি সড়ে গেলে ঠিকাদার কাজটি করে দেবে। আমরা এখনো সম্পূন্ন বিল দেইনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অলিদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমার নলেজে নেই। তবে  সেতু নির্মাণে কোন ত্রুটি থাকলে সরজমিনে পরিদর্শন করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।  

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম