শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : নেত্রকোনা

তরিগড়ি করে টিআর কাবিকা প্রকল্পের নাম পরিবর্তন

মদনে নামমাত্র প্রকল্পের কাজ করে টাকা উত্তোলনের পায়ঁতারা


মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2025-07-05
মদনে নামমাত্র প্রকল্পের কাজ করে টাকা উত্তোলনের পায়ঁতারা

নেত্রকোনার মদনে নামে মাত্র টিআর প্রকল্পের কাজ করে টাকা উত্তোলনের পায়ঁতারার অভিযোগ উঠেছে। তরিগড়ি করে টিআর কাবিকা প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মূহুর্তে নাম পরিবর্তন করার অভিযোগ উঠেছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও প্রকল্প কমিটির বিরুদ্ধে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর)  প্রকল্পের আওতায় উপজেলার  নায়েকপুর ইউনিয়নে "বাঁশরী পাকা রাস্তা হইতে মোয়াটি পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ২৯ এপ্রিল ২০২৫ ইং তারিখে অনুমোদিত হয়, যার বরাদ্দ  ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। একই তারিখে মোয়াটি মোড় হইতে বাস্তা মাদ্রাসা পর্যন্ত  গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা/কাবিটা) কর্মসূচির আওতায়  রাস্তা নির্মাণে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। দুই প্রকল্পেই নামে মাত্র কাজ করে প্রকল্প কমিটি।

এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে তড়িগড়ি করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকল্প এলাকা সরজমিনে পরিদর্শন না করে রাস্তার ভিতরেই বরাদ্দের পরিমাণ ঠিক রেখে উক্ত দুই প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করার জন্য প্রস্তাব  দেয়।  ওই  দুই প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে ৩ জুন ২০২৫ ইং তারিখে জেলা প্রশাসক কর্তৃক পূনরায়  প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়। এ দুটি প্রকল্পের কাজ নিয়ে আলোচনা সমালোচনা শুরু হলে সুচতর প্রকল্প কমিটি নাম পরিবর্তন করে টাকা উত্তোলনের পায়ঁতারা করছে।

প্রকল্প দুটির নতুন নাম দেন "বাঁশরী ধুরজান খালের ব্রীজ হতে হেকিমের বাড়ি এবং মোয়াটি বহসনী খালের পাকা রাস্তা হতে নওবাড়ী ব্রিজ ভায়া হেকিমের বাড়ি" পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাট। দেড় কি.মি.(প্রায়) মধ্যে এক কি.মি.(প্রায়) রাস্তাা সংস্কার কাজ কমলেও, কমেনি প্রকল্পের বরাদ্দ।

সাম্প্রতিক উপজেলায় বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখা যায়, নাম মাত্র কাজ দেখিয়ে প্রকল্পের টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয় প্রকল্প কমিটির লোকজন। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ দুই প্রকল্পেই নামে মাত্র কাজ করেছে প্রকল্প কমিটি। একই দিকে, চন্দ্রতলা ঈদগাঁহ্ মাঠ হইতে চন্দ্রতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের জন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ থাকলেও ওই বিদ্যালয়ে মূলত কোন রাস্তা নেই। এ বরাদ্দ দিয়ে আতিকুল মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত এসে কাজ রেখে দেন। যতটুকু কাজ হয়েছে তাও নাম মাত্র। ওই প্রকল্পের সভাপতি ইউপি সদস্য আইনুল ইসলাম জানান, আমি বরাদ্দের চাইতেও বেশি মাটি কাটাইছি। আবার, চন্দ্রতলা আতিকুল মাস্টারের বাড়ি হইতে ফেরী ঘাট পর্যন্ত  রাস্তা নির্মাণ জন্য বরাদ্দ দেয় ০৩ মেট্রিক টন চাল, এমন আরও একাধিক প্রকল্প আছে যেখানে নামমাত্র কাজ হয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।

ইউএনও অলিদুজ্জামান জানান, টিআর-কাবিটা প্রকল্পের সার্বিক কাজের প্রতিবেদন আমার কাছে জমা দিতে পিআইওকে বলেছি। তারপর আইনগত ব্যবস্থা নিবো