নেত্রকোনার মদন উপজেলার ৫ নং মাঘান ইউনিয়নের চৌধুরী তালে হোসেন মিছিলজান একাডেমি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে দশম শ্রেণীর গণিত প্রশ্ন আউট করে এক ছাত্রীকে প্রশ্ন দিয়ে তাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী দশম শ্রেণীর ছাত্রী ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়,রবিবার (২৩ অক্টোবর)বেলা ২ ঘটিকায় দশম শ্রেণীর গণিত মডেল টেস্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষার আগে গণিত প্রশ্ন পাস করে ওই ছাত্রীকে একটি প্রশ্ন দিয়ে দেয় প্রধান শিক্ষক সোহেল মিয়া এরপর তাকে শ্লীলতাহানির করার চেষ্টা করে।প্রধান শিক্ষক সোহেল মিয়া মডেল টেস্ট পরীক্ষার গণিত প্রশ্ন পরীক্ষার আগে সকল শিক্ষকের অগোচরে ওই ছাত্রীকে একটি প্রশ্ন দিয়ে কৌশলে ও প্রলোভন দেখিয়ে তাকে শ্লীলতাহানি করে।
অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হারুনুর রশিদ বলেন,"ঘটনার সত্যতা কতটুকু তা আমার জানা নেই। কিন্তু সত্য প্রমাণিত হলে উপযুক্ত বিচার দাবি করেন তিনি ।
ঐ বিদ্যালয়ের বয়োঃজোষ্ঠ ধর্মীয় শিক্ষক মাহবুবুর রহমান বলেন, ''বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় বন্ধ করে বাড়িতে চলে যাই, আজ প্রতিষ্ঠানে এসে দেখি বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিবাদ মিছিল এবং আন্দোলন করছে। ঘটনা কতটুকু সত্য তা জানি না। সত্য প্রমাণিত হওয়ার পর উপযুক্ত বিচার দাবি করেন তিনি।
এলাকার শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবক এ ঘটনার সত্যতা যাচাই করে ও তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবি করেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহেল মিয়া মুঠোফোনে ঢাকা রিপোর্ট ২৪ প্রতিনিধিকে জানান, 'আমি ঐ ছাত্রীকে প্রশ্ন দেইনি এবং এ বিষয়ে আমি জানিনা। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।''
ভুক্তভোগী ছাত্রীর বড় ভাই সাইমন বলেন, আমার বোনের যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এর দায়ভার এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিতে হবে এবং সে প্রধান শিক্ষকের বিচার দাবি করেন।
মদন ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম মাসুদ এর কাছে জিজ্ঞেস করলে জানান, প্রধান শিক্ষক যদি এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তাহলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিনা শাহরিন এ প্রতিনিধিকে বলেন, ''ঘটনা নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য পুলিশ প্রশাসন পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীকে বলেন, লিখিত করার জন্য,অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।''
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এসএ/আরএএম