নেত্রকোনার মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে গত ২৫ সেপ্টেম্বর রোজ রবিবার আনুমানিক রাত ১০ টার দিকে রুদ্রশ্রী গ্রামে কারি শফিকুল ইসলাম (৬০) অরফে গজারিয়া হুজুর ফেড়াতে গিয়ে মারা যান তিনি।
এরপর আশঙ্কাজনক অবস্থায় ছিল ৭ জন । গুরুতর আশঙ্কাজনক জনক অবস্থায় থাকা ৭ জনের একজন মিনারা আক্তার (৫৫) ২৬সেপ্টেম্বর রোজ সোমবার আনুমানিক সময় সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।
নিহত মিনারা আক্তার রুদ্রশ্রী গ্রামের ইব্রাহিম মুন্সির স্ত্রী। স্বামী স্ত্রীর ঝগড়া এ পর্যন্ত নিহত হয়েছে ২জন । কারি শফিকুল ইসলাম ওরফে গজারিয়া হুজুর ও ইব্রাহিম মিয়ার স্ত্রী মিনারা ডাক্তার (৫৫) । পুলিশ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, রুদ্রশ্রী গ্রামের মোবারক ও তার স্ত্রী মুন্নি আক্তার স্বামী স্ত্রীর কলহের জেরে ঝগড়া সৃষ্টি হলে, ঝগড়া ফেরাতে যান প্রতিবেশী শফিকুল ইসলাম ওরফে গজারিয়া হুজুর।
স্বামী মোবারক তার স্ত্রীকে মারধর করার কারণে , স্ত্রী মুন্নি আক্তার পাশেই বাবার বাড়ি, ফতেপুর মোড়ল পাড়া গিয়ে নালিশ করে স্বামীর বিরুদ্ধে।
পরবর্তীতে মুন্নি আক্তারের পিতা আবু মুন্সি (৬৫)ও তার দুই ছেলে জুবায়ের (৩৫),ও হেদায়েত (৩০) তার বোন মুন্নী আক্তার কে মারধর করার কারণে ,ভগ্নিপতি মোবারক হোসেনকে মারার জন্য ধাড়ালো ছুরি নিয়ে আসে, ভগ্নিপতির বাড়িতে। এমন সময় আবু মিয়ার ছেলে জুবায়ের ও তার ছোট ভাই হেদায়েতকে ফেড়াতে যান প্রতিবেশী শফিকুল ইসলাম ওরফে গজারিয়া হুজুর ছুরির আঘাতে আহত অবস্থা স্বজনেরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেসে নিয়ে আসার পথে রাস্তায় তিনি মারা গিয়েছিলেন।
উক্ত ঘটনায় আশঙ্কা জনক গুরুতর জখম ছিল ৭ জন। ২৬ সেপ্টেম্বর রোজ সোমবার আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেল মিনারা আক্তার (৫৫) ।
এ বিষয়ে মদন থানা ওসি মোহাম্মদ ফেরদৌস আলম তিনি বলেন, উক্ত ঘটনায় কারি শফিকুল ইসলাম ও মিনারা আক্তার সহ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে, আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।