নেত্রকোনার মদনে মাঘান ইউনিয়নে বাক প্রতিবন্ধী যুবতী (২৪) কে জোরপূর্বক গামছা দিয়ে হাত মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে রুহুল আমিন নামক এক যুবক এতে ওই যুবতী পাঁচ মাসের অন্তঃসত্তা হওয়া ওই এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাক প্রতিবন্ধী যুবতীর বড় ভগ্নিপতি সেকুল(৫৫) মিয়া বাদী হয়ে ২৮ জুলাই রোজ বৃহস্পতিবার একই এলাকার রুহুল আমিন(২৮ ) এর নাম উল্লেখ করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। রুহুল আমিন ওই এলাকার ছফু মিয়ার ছেলে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাক প্রতিবন্ধী অন্তঃসত্ত্বা গত ১০ জানুয়ারি ২০২২ ইং তারিখে বাড়ির সামনে কলা গাইচ্ছে হাওড়ে গরুর জন্য জন্য ঘাস আনতে যায়।
এমন সময় একই এলাকার রুহুল আমিন(২৮) কলা গাইচ্ছেয়ার হাওড়ে বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীর সম্পর্কে ভাগ্নে তাকে জোরপূর্বক গামছা দিয়ে হাত, মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে। পরে বুদ্ধি ও বাক প্রতিবন্ধী যুবতী কে ভয়ভীতি দেখায় ও নিষেধ করে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য।
পরবর্তীতে কিশোরের শারীরিক অবস্থা পরিবর্তন দেখা দিলে তার ছোট বোন তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নিয়ে যায়, ডাক্তার পরীক্ষা শেষে বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে পাঁচ মাস ২০ দিনের অন্তঃসত্তা ঘোষণা করেন।
বাক প্রতিবন্ধী ভিকটিমের ছোট বোনসহ প্রতিবেশীরা ইশারা ইঙ্গিতে জিজ্ঞেস করে কে এ ধরনের ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
তখন বাক প্রতিবন্ধী যুবতী তারই সম্পর্কে ভাগ্নে রুহুল আমিন কে ইশারা ইঙ্গিতে দেখায়।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী দফায় দফায় দরবার সালিশও করেছে বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য।
পরবর্তীতে মীমাংসা না হওয়ায় থানায় মামলা করতে বাধ্য হয়, রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে।
উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, মদন থানার ওসি মোঃ ফেরদৌস আলম বলেন, বাক প্রতিবন্ধী যুবতী ধর্ষণ অন্তঃসত্ত্বা, থানা মামলা হয়েছে, আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।