নেত্রকোনার মদন উপজেলার মাঘান ইউনিয়নের পল্লীতে যুবকের ( ৩০) ধর্ষণে বাক প্রতিবন্ধী এক কিশোরী(২৫) পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এখন এলাকার প্রভাবশালীরা বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
বাক প্রতিবন্ধী কিশোরী ইশারা ইঙ্গিতে জানায়, তার রুহুল প্রথমে তাকে গামছা দিয়ে হাত পা বেঁধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করলে সে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়।
রুহুল একই এলাকার ছফু মিয়ার ছেলে। রুহুলের পিতা ছফু মিয়া ( ৫০) বলেন, আমার ছেলে যদি এমন কাজ করে থাকে, মেডিকেল রিপোর্ট আসলে তাকে বিবাহ করাব।
বাক প্রতিবন্ধির ছোট বোন জানায়, বন্যার সময় আমার বোন রুহুলদের বাড়িতে থাকতো । এ সময় রুহুল তাকে ধর্ষন করেছে। আমার বোন আমাকে জানায়, লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি সে কারো কাছে জানায়নি। এখন আর না জানিয়েতো উপায় নেই, বিষয়টি তো আর ঢেকে রাখা যাবে না। এখন এলাকার গণ্যমান্য মাতব্বরের কাছে আমরা বিচার দাবি করছি।
এলাকাবাসী জানায় বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ করে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা করেছে, আগে তার পিতার পরিচয় দিতে হবে, এরপর সে যেই হোক তার উপযুক্ত বিচারের দাবি জানায় পল্লী গ্রামবাসী।
এ বিষয়ে মদন থানা ওসি মোঃ ফেরদৌস আলম বলেন, ”বিষয়টি আমার জানা নাই, কোন অভিযোগও পাইনি , অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/রাফিও/আরএএম