শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬

১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : খুলনা

দারিদ্র পরিবারের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ালেন এমপি


খুলনা প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2022-04-16 07:21:45
দারিদ্র পরিবারের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ালেন এমপি

দারিদ্রের জ্বালা সইতে না পেরে আত্মহত্যাকারী কুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী খুলনার ডুমুরিয়ার গুটুদিয়া গ্রামের অন্তু রায়ের পরিবারের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ালেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি। 

শুক্রবার সকালে তিনি অন্ত রায়ের বাড়িতে হাজির হয়ে তার শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং কুঁড়ে ঘরে বসবাসকারি অন্ত রায়ের পরিবারকে পাঁকাঘর তৈরি করে দেয়ার লক্ষ্যে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। এছাড়া তিনি অন্ত রায়ের একমাত্র বোন ১০ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রী চৈতি রায়ের লেখা পড়ার খরচ বহনের প্রতিশ্রুতি দেন।

নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি বলেন, আগে জানলে বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বছরে অন্তত ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা তাকে শিক্ষা বৃত্তি দেয়ার ব্যবস্থা করা যেত। এছাড়া অনেক বিত্তবানরাও এগিয়ে আসতো। যে চলে গেছে তাকে আর ফিরে পাওয়া যাবে না উল্লেখ করে তিনি অশ্রু সজল কণ্ঠে শোকসন্তপ্ত দিনমজুর পিতা-মাতাকে বলেন, আমি নিজেও দুটি সন্তান হারিয়েছি। সন্তান হারা পিতার দুঃখ-কষ্টটা আমি অনুভব করি। 

তিনি আরও বলেন, ছেলে মেয়েরা আজকাল বড্ড বেশি ইমোশনাল হয়ে যাচ্ছে। এ সময় তিনি অন্ত রায়ের পরিবারসহ অভাবগ্রস্থ অন্য দুই কাকার পরিবারকেও সরকারি পাঁকাঘর নির্মাণ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। 

এছাড়া তিনি কৃতি ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়ার পাশাপাশি তাদের পরিবারের খবর নেয়ার চেষ্টাসহ আর্থিক সহযোগিতা দিতে বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল ওয়াদুদ, উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) মো. মামুনুর রশীদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আশরাফ হোসেনসহ আওয়ামী লীগের দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকার সুধীজন।

প্রসঙ্গত, দারিদ্র্যের জ্বালা সইতে না পেরে গত ৪ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১১টায় ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের দিনমজুর দেবব্রত রায়ের ছেলে অন্তু রায় (২১) জীর্ণ বসতঘরের আড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ২০১৮ সালে কুয়েটে ভর্তির পর থেকেই অভাবের মধ্যেই দিন পার করছিলেন এই শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের এম এ রশীদ হলে থাকা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষে পড়ুয়া অন্তু কয়েক হাজার টাকা বকেয়া পড়েছিল। এছাড়া সেন্ট্রাল ভাইভা দিতে না পারায় চরম হতাশায় ছিলেন তিনি। 

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/আরএ/আরএএম