রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : নীলফামারী

ডিমলায় মুক্তিযোদ্ধার ছেলের উপর সন্ত্রাসী হামলায় থানায় অভিযোগ


সরোয়ার জাহান সোহাগ- ডিমলা প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2022-11-10 22:48:30
ডিমলায় মুক্তিযোদ্ধার ছেলের উপর সন্ত্রাসী হামলায় থানায় অভিযোগ

নীলফামারীর ডিমলা ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলি গ্রামের ৩ নং ওয়ার্ড এর মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মদ্দিনের পুত্র আঃ গফুর বাদশাকে প্রকাশ্যে চায়ের দোকানে মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ভূক্তভোগীকে উদ্ধার করে স্বজনেরা ডিমলা হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। 

বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে পরিচিত চারজন ও অজ্ঞাত আরও ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করে ডিমলা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা।

গত (৮ নভেম্বর) রাত এগারোটা ত্রিশ মিনিটে উপজেলার উত্তর সোনাখুলি গ্রামের আশ্রয় কেন্দ্রের পাশে অবস্থিত ফয়জার রহমানের চায়ের দোকানে অত্র এলাকার মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মদ্দিনের পুত্র আঃ গফুর বাদশা চা-পান করতে থাকা অবস্থায় একই এলাকার রহিম বকস, নবাব আলী, খলিলুর রহমান ও জহুরুল ইসলাম (জামাতি), তারা সকলেই চা-পান করার উদ্দেশ্যে ফয়জার রহমানের চায়ের দোকানে আসে। 

সে সময় রাজনৈতিক কথায় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এরই একপর্যায়ে রহিম বকস সে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে অসম্মানজনক কথা বলে। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আঃ গফুর বাদশা রহিম বকসকে প্রতিবাদ করলে রহিম বকস ও তার লোকজন গফুর বাদশাকে আটক করে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি করলে ঐ সময় গফুর বাদশা চিৎকার করতে থাকলে রহিম বকস ও তার লোকজন গফুরের গলা চেপে ধরে। সে সময় হট্টগোল ও চিৎকার শুনে তার ভাই আলম বাদশা উক্ত চায়ের দোকানে ছুটে আসলে রহিম বকস ও তার লোকজন আলম বাদশা এর মাথায় ছুরিকাঘাত করলে সে গুরুতর জখম হয়। 

উপজেলার উত্তর সোনাখুলী ৩ নং ওয়ার্ড এর আশ্রয় কেন্দ্রের বাসিন্দা আঃ গফুরের মা বলেন, আমি একজন বিধবা মহিলা, আমার স্বামী মৃত কাজী মদ্দিন ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আমি একা এক বিধবা মহিলা, আমার ছেলের সাথে যারা এরকম কাজ করেছে, আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

ডিমলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু বলেন, এরকম একটি ঘটনার জন্য আমরা কখনোই প্রস্তুত ছিলাম না। প্রশাসনের কাছে বিনীত আহবান জানাচ্ছি, অপরাধী যেই হোক না কেন তাঁদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি লাইছুর বলেন, এ ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমজার/আরএএম