দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ধারালো অস্ত্র ও তালা কাটার যন্ত্র উদ্ধার ও ব্যবহৃত একটি পিকআপ জব্দ করা হয়েছে। গত (২০ সেপ্টম্বর) মঙ্গলবার রাতে কেঁওচিয়ার আমতল এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
কেঁওচিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ওছমান আলী জানান, গ্রাম পুলিশদের সাথে নিয়ে রাতে এলাকায় টহল দিয়ে রাতে নয়া খাল এলাকা দিয়ে তেমুহনী ও কেঁওচিয়া হয়ে দস্তিদার হাটে গেলে অপরিচিত এক লোকের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করি। সে প্রথমে উল্টাপাল্টা তথ্য দিলেও এক পর্যায়ে তার সহযোগীরা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে। তখন তাকে আটক রেখে পুলিশকে খবর দেই।
পুলিশ জানান, ঘটনার দিন রাতে আমতল এলাকায় একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়ার বিষয়ে খবর পেয়ে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ তারেক মোঃ আবদুল হান্নান ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এক পর্যায়ে পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে ডাকাতরা পালিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় পুলিশ ধাওয়া করে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য ভুজপুরের আজিমপুর আদর্শগ্রাম এলাকার মোঃ এজাহার মিয়ার ছেলে মোঃ এরশাদ, পাবর্ত্য জেলা বান্দরবানের আলীকদমের সিলটি পাড়ার মৃত শামসুল আলমের ছেলে নুরুল কবির ও ঈদগাঁও এর নাপিতখালী এলাকার আবদুল্লাহর ছেলে মোঃ হাবিবকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে দুইটি ধারালো অস্ত্র ও তালাকাটার যন্ত্র ও ডাকাতদের ব্যবহৃত পিকাপটি জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার ডাকাত। এরশাদের বিরুদ্ধে ভুজপুর, ফটিকছড়ি, সীতাকুন্ড ও নগরীর ডবলমুরিং থানায় ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে ছয়টি মামলা রয়েছে। নুরুল কবিরের বিরুদ্ধে রামু ও চান্দগাঁও থানায় চারটি মামলা রয়েছে। তাঁরা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সাতকানিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামীদেরকে বুধবার আদালতে হাজির করা হলে আদালত কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমজার/আরএএম