ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় রবিবার (৮ নভেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে পৌনে ৭টার মধ্যে পরপর ৮ থেকে ৯টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে হাতেনাতে আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাবি প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতন জানান, "সংঘবদ্ধভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, নীলক্ষেত, সিনেট ভবনের গেট এবং মৈত্রী হলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণগুলো ঘটানো হয়।"
এর আগে সিনেট ভবনের সামনে ককটেল ফাঁটানো হয়। এরপর টিএসসি ও সংলগ্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মেট্রোস্টেশনের নিচ দিয়ে পালানোর সময় টিএসসিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা ধাওয়া দিয়ে তাদের ধরে ফেলেন এবং মারধর করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেন।
আটককৃত তিনজন হলেন- নাটোরের রেজাউল করিম (৪২), রাজশাহীর সোহেল রানা (৩৩) এবং গোপালগঞ্জের নাজমুস সাদ (৩৩)।
ঘটনার পরপরই ঢাবি ছাত্রদলের নেতারা শাহবাগ থানায় এসে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল পরিবেশকে বিঘ্নিত করতে পলাতক ফ্যাসিস্ট শক্তির দোসরেরা এই চোরাগুপ্তা ককটেল হামলা চালিয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থী ও এদেশের জনগণ রাজপথে থেকে এই ধরনের অস্থিতিশীল সৃষ্টির যেকোনো চক্রান্তকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করবে।
এসব ককটেল বিস্ফোরণে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আটক তিনজন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং আইনানুগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম