নানা জল্পনা কল্পনার অবসান কাটিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারাণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে (১১ এপ্রিল, সোমবার) পাবনা জেলা ছাত্রলীগ ও পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি গত ১০ এপ্রিল বিলুপ্ত ঘোষণা করে। চার বছর পর পাবনা জেলা পাবে ছাত্রলীগের নতুন অভিভাবক। কারা এগিয়ে আছেন সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের দৌড়ে।
সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদক পদে মোট জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়ছেন জেলায় ৪০ জন এবং পাবিপ্রবিতে ৪৩ জন ছাত্রনেতা। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে এবার আলোচনায় আছেন, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক মিজানুর রহমান সবুজ, পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ্-সভাপতি মেহেদী হাসান জ্যামি, হাবিবুর রহমান রিংকু, শাওন রেজা খান।
সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছে, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের
সাবেক সাধারন সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম বাবু, পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদ মালিথা, সানাউল্লাহ সানি, নিয়ন খান, সাইফুল ইসলাম খোকন, পাবনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক রাশেদ, পাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তৌশিকুর রহমান রাভা।
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছে পাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ্-সভাপতি মাহমুদুল হাসান, লিংকন হোসেন, সাবেক কার্যকারী সদস্য অলোক সরকার এবং সাধারন সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছে পাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক নুরুল্লাহ ও সাবেক সহ্-সভাপতি মাহমুদ কামাল তুহিন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম প্রান্ত।
পাবনা জেলায় (১৬ এপ্রিল) ও পাবিপ্রবিতে (১৭ এপ্রিল) দায়িত্ব প্রাপ্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক প্রার্থীদের জীবন বৃত্তান্ত জমা নেন।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি পাবনা জেলায় ছাত্রলীগের সম্মেলনে শিবলী সদিককে সভাপতি এবং তাজুল ইসলাম কে সাধারন সম্পাদক এবং পাবিপ্রবি শাখায় মাহমুদ চৌধুরী আসিফকে সভাপতি ও ফরিদুল ইসলাম বাবুকে সাধারন সম্পাদক করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন কমিটি অনুমোদন দেয়।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এনআই/আরএএম