আগের ম্যাচে একুয়েডরের বিপক্ষে ড্র করেছিল ব্রাজিল। যে কারণে কিছুটা সমালোচনার মুখে পড়েছিল দলটি। তবে কয়েকদিনের ব্যবধানে দলটি সমালোচকদের জবাবটা বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে ঠিকই দিল প্যারাগুয়ের জালে গোল উৎসব করে। এরফলে দলটি জয়েও ফিরল। এ হারে কাতার বিশ্বকাপে খেলার সব আশা শেষ হয়ে গেল প্যারাগুয়ের। আক্রমনাত্মক ফুটবলের প্রদর্শনী সাজিয়ে দিয়ে ৪-০ গোলে জিতল ব্রাজিল।
প্যারাগুয়ের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই গোল করেন রাফিনহা। এছাড়া ৬৮তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফিলিপে কৌতিনহো। ম্যাচের ৯৩ সেকেন্ডেই গোল পেতে পারত ব্রাজিল। দলীয় আক্রমণ থেকে রাফিনহার গোল বাতিল করে দেয় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর)। বিরতির পর তার শটও প্যারাগুয়ের গোলপোস্টে লেগে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। যেখানে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের দুই খেলোয়াড় ভিনিসিয়ুস ও ম্যাথিয়ুস কুনহাও গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন।
নির্ধারিত সময়ের শেষ চার মিনিটে ব্রাজিলের করা দুটি গোলের শেষটি আবার রদ্রিগোর জন্য স্মরণীয়।
এর আগে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে ইকুয়েডরের বিপক্ষে জয়বঞ্চিত ছিল ব্রাজিল। ৩২ ফাউলের ম্যাচটি ১-১ গোল সমতায় শেষ হয়। গত বছরের জুনে ব্রাজিলের মাঠে ২-০ গোলে হেরেছিল ইকুয়েডর। নিজেদের ঘরের মাঠে সে হারের প্রতিশোধের সুযোগও আসে সালেসাওদের বিপক্ষে। ২০১৫ সবশেষ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে হারের মুখ দেখেছিল ব্রাজিল। ২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ৩০ ম্যাচ অপরাজিত সেলেসাওরা।