চাপের মুখে থেকেই লাহোরে ম্যাচ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। হারলেই বিদায় এমন সমীকরণ মেনেই আগে ব্যাট করতে নেমেছিল চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যরা। তবে এদিন কেবল জয়ের দিকে চোখ রাখলেই হচ্ছেনা বাংলাদেশের। বরং নিশ্চিত করতে হবে রানরেটের সমীকরণটাও।
এশিয়া কাপের গ্রুপ ‘বি’ তে বর্তমানে বাংলাদেশের নিট রানরেট ঋণাত্মকের ঘরে। শুন্যের নিচে ঋণাত্মক দশমিক ৯৫১ এ অবস্থান করছে টাইগাররা। এমন অবস্থায় রানরেট বাড়াতে চাইলে বাংলাদেশের সামনে আছে হিসেবের মারপ্যাঁচ। দলীয় স্কোর ৩০০ হলে বাংলাদেশকে ম্যাচ জিততে হবে অন্তত ৫৩ রানের ব্যবধানে। ২৫০ স্কোরের ক্ষেত্রে জয়ের ব্যবধান হতে হবে ৪৮ রান আর ২০০ রানের ক্ষেত্রে ব্যবধান হতে হবে ৪২। কিন্তু রানের ফুলঝুড়ি ছড়িয়ে বাংলাদেশ থেমেছে ৩৩৪ রানে। সুপার ফোরে ওঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সমীকরণ এখন অনেকটাই সরল। রশিদ খান-হাসমত উল্লাহ শহিদীদের থামাতে হবে ২৭৯ রানের আগেই। এই ব্যবধানে জিতলে বাংলাদেশ আজই নিশ্চিত করবে পরের রাউন্ড।
সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের নিট রানরেট শ্রীলঙ্কাকে ছাড়িয়ে যাবে। গ্রুপের পরের ম্যাচটা তাই হয়ে যাবে সেমিফাইনাল। যারা জয় পাবে, তারাই যাবে সুপার ফোরে। শ্রীলঙ্কা জিতলে দুই ম্যাচে দুই হার নিয়ে পয়েন্টের হিসেবে বাদ পড়বে আফগানরা। আর আফগানিস্তান জিতলে রানরেট কমে যাবে লঙ্কানদের। সেক্ষেত্রে রানরেটের হিসেবে বাদ যাবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
ওয়ানডেতে এত রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই আফগানিস্তানের। এর আগে কখনোই ৩০০ বা এর বেশি রানের স্কোর তাড়া করে ওয়ানডে জেতেনি আফগানিস্তান। তাদের সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আরব আমিরাতের বিপক্ষে। সেবার তারা ২৭৪ রান তাড়া করে জিতেছিল। এ ছাড়া দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ২৮৮ রান করতে পেরেছে আফগানরা।
ঢাকা রিপোর্ট২৪.কম/এম আর/আরএম