দুই দল মিলিয়ে রেফারি এই ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন ১৬টি। একটি লাল কার্ড। হলুদ কার্ড থেকে রক্ষা পাননি আর্জেন্টিনার কোচ স্কালনিও। ৮২ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। তবে বাকি সময়ে দুই গোল করে ম্যাচে সমতা আনে নেদারল্যান্ডস। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে ফ্রি কিক থেকে একটি গোল করেন ডাচরা (২-২)।
ইনজুরি টাইমের একেবারে শেষ মুহূর্তে নেদারল্যান্ডসকে ফ্রি-কিক উপহার দেয়ার বিষয়টি ছিল বিতর্কিত। এই ফ্রি-কিকের প্রতিবাদ করতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন মেসি।
ম্যাচ শেষে মেসি বলেছেন, ‘আমি রেফারির সঙ্গে কথা বলতে চাইনি। আমি জানি সবাই দেখেছে কী ঘটেছে। ফিফা এখন বিষয়টি পর্যালোচনা করবে বলে আমি মনে করি। এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এমন একজন রেফারিকে দায়িত্ব দেয়াটা সঠিক হয়নি বলেই আমি মনে করি। তারা তাদের দায়িত্ব মোটেই সঠিকভাবে পালন করেনি। আর সেই সুযোগে রেফারি ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যায়। পুরো ম্যাচেই রেফারি আমাদের বিপক্ষে ছিল। সর্বশেষ ফ্রি-কিকটি মোটেই ফাউল ছিল না।’
নির্ধারিত সময়েই ম্যাচ শেষ করার পরিকল্পনা ছিল মেসিদের। অতিরিক্ত সময় কিংবা টাইব্রেকারের চিন্তা ছিল না তাদের। মেসি বলেন, ‘আমরা কখনো অতিরিক্ত সময় কিংবা পেনাল্টিতে যেতে চাইনি। সবাই দেখেছে আজ মাঠে কী হয়েছে, আমরা খুবই কষ্ট পেয়েছি। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে এভাবে একটি দলকে বিদায় নিতে হলে তা অত্যন্ত কষ্টদায়ক হতো। কিন্তু সবকিছুর পরেও এখন আমরা সেমিফাইনালে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম