ভোলায় বাসের চাপায় দুই কলেজছাত্রীসহ ৩ জনের মৃত্যুর ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাশ দাফনের জন্য কোনো আর্থিক সহায়তা পায়নি নিহতদের পরিবার। এমনকি এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়নি।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন কুমার শাহ ঢাকা রিপোর্ট ২৪বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রিপন কুমার শাহ জানান, ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস চাপায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনায় মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের পরিবারদেরকে আর্থিক কোনো সহায়তা দেওয়া হয়নি। গঠন করা হয়নি তদন্ত কমিটিও। তবে কেন কি কারণে আর্থিক সহায়তা প্রদান ও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি, তার কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।
দৌলতখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাঠান মো. সায়েদুল ইসলামও এর কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
উপজেলা প্রশাসনের এ কর্মকর্তা জানান, দৌলতখান উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বাস চাপায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আর্থিক সহায়তা কিংবা এ ঘটনায় কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি।
আর্থিক সহায়তার বিষয়ে নিহত শিখা আক্তার, রিমা বেগম ও আবুল কালামের পরিবার জানান, ঘটনার দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে শিখা, রিমা ও আবুল কালামের লাশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ওইদিন সন্ধ্যাই পারিবারিক কবরস্থানে তাদেরকে দাফন করা হয়। কিন্তু ঘটনার ৪ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো উপজেলা কিংবা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক কোনো সহায়তা পাননি তারা। ধারকর্জ করে লাশ দাফন করা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনার পর বাংলাবাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই মো. রিয়াজুর ইসলাম বাদী হয়ে বাসটির চালককে প্রধান আসামি করে ৩ জনের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে (২০১৮) একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার দিন চালক আল-আমীনকে গ্রেফতার করতে পারলেও এখনো মামলার দুই ও তিন নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এসএ/আরএএম