চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের লাল মিয়া কন্ট্রাক্টর সড়ক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু হওয়াতে এলাকাবাসী মধ্যে আনন্দ জোয়ার। জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের কালভার্টসহ দৈর্ঘ্য ৯১০ মিটার এবং প্রস্থ ৩.৭মিটার আরসিসি ঢালাই দেওয়া হবে। প্রকল্পের বাজেট ১ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকা।
এলাকার স্থায়ী বাসিন্দারা জানান, ‘খোয়াজনগর গ্রামের তিন ওয়ার্ডের বেশির ভাগ মানুষকে পুরাতন ব্রিজঘাট বাজার ও জেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য লাল মিয়া কন্ট্রাক্টর সড়ক ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে আয়ুব বিবি স্কুল এন্ড কলেজ, আছিয়া মোতালেব রিজিয়া নাসরিন স্কুল এন্ড কলেজ,আজিম হাকিম স্কুল এন্ড কলেজ,অহিদিয়া প্রি-ক্যাডেট স্কুল, হাজী আলিম উদ্দীন ক্যাডেট স্কুল এন্ড কলেজের শত শত শিক্ষার্থী।এটি দ্রুত বাস্তবায়ন হলে তিন গ্রামের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডির উপ সহকারি প্রকৌশলী অপু জানান, ‘আমরা অতিদ্রুত কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। দুই তিন মাসের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারবো। তাই এলাকাবাসী সহযোগিতা কামনা করছি।
খোয়াজনগর এলাকার ইউপি সদস্য মোঃ আনোয়ার মেম্বার বলেন,‘আমার এই সড়কটি দিয়ে ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডসহ চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের হাজারো সর্বসাধারনের চলাচল রাস্তা। শুধু আমার ওয়ার্ডেই রয়েছে কলেজসহ দুইটি বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।এই সড়কটি হয়ে গেলে শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে।আমি ধন্যবাদ জানাই মাননীয় ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি মহোদয়কে।
চরপাথরঘাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল আহমেদ রাজা বলেন, মাননীয় ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি নির্দেশনায় লাল মিয়া কন্ট্রাক্টর সড়ক বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দীর্ঘ ১০ বছর হাজার মানুষ কষ্ট পেয়েছে এই সড়কটির জন্য। আমাদের মন্ত্রী মহোদয়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ছাড়া অন্য কিছু চিন্তা করে না। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় কর্ণফুলীকে একটি মডেল গড়ে তুলতে সবসময়ই পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তাই সুফল হচ্ছে লাল মিয়া কন্ট্রাক্টর সড়ক।
মেসার্স গনি কনস্ট্রাকশন মালিক ওসমান গনি বলেন,লাল মিয়া কন্ট্রাক্টর সড়কটি আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে শতভাগ কাজ শেষ করতে পারবো।
উল্লেখ্য যে, আয়ুব বিবি সড়কের শেষাংশ এমদাদ মাষ্টারের বাড়ির সামনে হতে লাল মিয়া কন্ডাক্টর সড়কটি সংযুক্ত হয়েছে হাজী আলীম উদ্দিন মার্কেটের কালাইয়ার দোকান পর্যন্ত। বর্তমানে খোয়াজনগর গ্রামের ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের এই সড়কটির অবস্থা বেশ শোচনীয় ছিলো। সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ঝূকিপূর্ণ কালভার্ট। মোড় এলাকায় গভীর গর্ত। জোয়ারের পানি জমে জলাবদ্ধতায় পূর্ণ থাকে। উঁচু জায়গা হওয়ায় কেবলমাত্র লালমিয়া মসজিদ সংলগ্ন বাজার এলাকায় কিছুটা ভালো রয়েছে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এনা/আরএএম