মাটি ও মানুষের নেতা, লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুল দীর্ঘদিন পর ভারতের দিল্লী এপ্যোলো হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা শেষ করে দেশ ফিরেছেন।
তিনি চট্টগ্রাম থেকে ২৮ নভেম্বর সকালে লোহাগাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তাকে বরণ করতে লোহাগাড়ার সর্বস্তরের জনসাধারণ, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা গাড়ি বহর ও মোটরসাইকেল নিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের টাইম ক্যাফ এলাকায় অবস্থান করেন। বেলা ১২টার দিকে তিনি সেখানে পৌঁছলে ওখান থেকে তিনি গাড়িবহর করে লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছালে সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকসহ লোহাগাড়ার সর্বস্তরের জনসাধারণের নেতৃবৃন্দরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লোহাগাড়া উপজেলা ব্রিকফিল্ড মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অর্থ সম্পাদক শিল্পপতি শাহাব উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মুুহাম্মদ মাহবুব আলম শাওন ভুঁইয়া, উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম মানিক, উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরে উপ-সহকারী প্রকৌশলী সঞ্জিত চন্দ্র সরকার, লোহাগাড়া প্রেস ক্লাব সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক পুস্পেন চৌধুরী, চুনতি ইউপির চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মুুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন জনু কোম্পানী, পদুয়া ইউপির চেয়ারম্যান হারুনর রশিদ (প্রকাশ আর্মি হারুন), আধুনগর ইউপির চেয়ারম্যান মুুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, চরম্বা ইউপির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, কলাউজান ইউপির চেয়ারম্যান এম.এ ওয়াহেদ, আমিরাবাদ ইউপির চেয়ারম্যান এসএম ইউনুচ, চুনতি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মিয়া মুহাম্মদ শাহজাহান বিন আবদুল আজিজ, সাবেক মেম্বার মুুহাম্মদ নাছির উদ্দিন, উপজেলা ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক এরশাদুর রহমান রিয়াদ প্রমুখ।
এছাড়াও জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষকসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুল জানান, দীর্ঘদিন আপনাদের সেবক হয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আমি লোহাগাড়ার মানুষকে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছি। মানুষ তার সঠিক অধিকার ফিরে পেয়েছে। আমি দীর্ঘদিন ভারতের দিল্লী এপ্যোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম। আপনানা বিভিন্ন ইউনিয়নে আমাকে নিয়ে বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মাহফিল ও খতমে কোরআনের আয়োজন করেছেন। আমি সবকিছু ফেইসবুকে দেখেছি। আপনাদের ভালবাসার কাছে সত্যিই আমি ঋণী। আপনাদের দোয়ার বদৌলতে মহান আল্লাহর রহমতে অশেষ কৃপায় আমার অপারেশন সফল হয়েছে। আমি সুস্থ হয়ে আপনাদের মাঝে ফিরে এসেছি। আপনাদের কোনদিন আমি ভূলবোনা। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
উপজেলা পরিষদের হল রুমে সকালে খতমে কোরআন অনুষ্ঠিত হয়। পরে দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন লোহাগাড়া মডেল মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুল গফুর।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমজার/আরএএম