চট্টগ্রাম কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের খোয়াজনগর গ্রামের তরুণ ব্যবসায়ী ইমরান পাটোয়ারীকে কতিপয় সংবাদে রঙ মিশিয়ে কিশোর গ্যাং লিডার বানানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
ইমরান পাটোয়ারী জানান, গত ৬ নভেম্বর দৈনিক আজাদীতে ‘কর্ণফুলীতে প্রহরীকে কোপানোর ঘটনা, কিশোরগ্যাং লিডার ইমরানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা’ ও একই শিরোনামে দৈনিক পূর্বকোণ এবং দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকায় ‘রাম দা দিয়ে কর্ণফুলীতে যুবককে কোপাল সন্ত্রাসীরা’, শিরোনামে সংবাদগুলো তাঁর নজরে এসেছে।
এ বিষয়ে তিনি ওই সমস্ত পত্রিকার সম্পাদকের কাছে কিশোর গ্যাং লিডার ও সন্ত্রাসী শব্দগুলোর প্রতিবাদ জানানোর কথা জানিয়ে বলেন, তিনি একজন স্বনামখ্যাত ব্যবসায়ী। তিনি কখনো কিশোর গ্যাং কে প্রশ্রয় দেননি। তিনি লিডার কিংবা সন্ত্রাসী নন। সংবাদে যা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।
তথ্য প্রমাণ বলছে, প্রকৃতপক্ষে ইমরান পাটোয়ারী একজন ব্যবসায়ী। ২০১২ সাল থেকে তিনি ব্যবসার সাথে জড়িত। তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম মেসার্স শাহ্ জামাল ক্রোকারিজ ও এমরান এন্টারপ্রাইজ। দীর্ঘদিন যাবত তিনি কর্ণফুলী থেকে সরকারকে ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়ে সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছেন।
এছাড়াও মইজ্জ্যারটেক টু ব্রিজঘাট (সিডিএ রোড) সমবায় সমিতির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কখনো কিশোর গ্যাংয়ের সাথে জড়িত নন।
তাঁর বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় ঘটনার আগ পর্যন্তও কোন ধরনের মামলা ও জিডি নেই। সিএমপির কিশোর গ্যাং ও মদদদাতা তালিকায়ও তার কোন নাম নেই। বরং তিনি অতীতে ছাত্রলীগ ও শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের সহ-সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে যুবলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। সে হিসেবে তিনি কখনো কিশোর গ্যাং কে প্রশ্রয় দেয়নি।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, বিছিন্ন একটি ঘটনায় মারামারির মামলা হলেও বাদির দায়ের করা ওই মিথ্যা মামলার এজাহারের কোন জায়গায়ও ইমরান পাটোয়ারীকে কিশোরগ্যাং লিডার কিংবা সন্ত্রাসী বলা হয়নি। এজাহারে লিখা হয়েছে, ‘নাজুকে টানা হেঁচড়া করেছেন ইমরান।’ যাও সত্য নয়। তবুও কয়েকটি সংবাদে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। যার প্রতিবাদ দিয়েছেন তিনি।
চরপাথরঘাটা এলাকার একাধিক ব্যবসায়ীরা বলেছেন, ইমরান পাটোয়ারীর মতো একজন তরুণ ব্যবসায়ীকে কিশোর গ্যাং লিডার আখ্যা দিয়ে ফায়দা লুটাতে চান একটি মহল। এলাকায় তিনি ভালো ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। আমরা এসবের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
ব্যবসায়ীরা আরও দাবি করেছেন, কিশোর গ্যাং নামক দুষ্টক্ষত থেকে সমাজ ও দেশ মুক্ত হোক। কিন্তু নিরাপদ ব্যবসায়িকে কিশোর গ্যাং বানানোর কালচার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এসএ/আরএএম