নেত্রকোনার মদন উপজেলায় মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের শিক্ষকদের টাকা আত্মসাৎদের অভিযোগ উঠেছে পূর্বধলা আরিফুল ইসলাম ও এরিয়া ম্যানেজার বাপি দত্ত এবং অফিস সমন্বয়কারী এরশাদ মিয়ার বিরুদ্ধে।
সূত্রে জানা যায়, সারাদেশের ন্যায় মদনেও মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে নারী -পুরুষ বয়স্কদের সাক্ষরতা শিক্ষাদানের স্কুল সিস্টেম চালু করে শিক্ষাদানের নির্দেশনা রয়েছে এ প্রকল্পের আওতায়। কিন্তু মদন উপজেলার অনেক জায়গায় খুঁজে কোথাও পাওয়া যায়নি, এ ধরনের মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্প পাঠদানের কার্যক্রম, মদনের বিভিন্ন জায়গা ঝুলিয়ে রেখেছে সাইনবোর্ড। অফিসে কাগজপত্রে আছে, বাস্তবে নাই। মদনের প্রতিটি ইউনিয়নের কাগজপত্রের শিক্ষকদের টাকা নিয়ে প্রকল্প কর্মকর্তাদের মাঝে চলছে ভাগাভাগি।
ঈদ-উল-ফিতরের আগে প্রতিটি ইউনিয়নের মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের শিক্ষকদের দুই মাসের বেতন ৭ হাজার ২ দুইশত করে টাকা বেতন বইয়ে স্বাক্ষর করানো হয় শিক্ষকদের, পরে তাদের হাতে দু মাসের বেতন দেয়া হয় ৪ হাজার ৮ শত করে টাকা । আবার অনেক শিক্ষক কোন টাকাই পায়নি।
প্রতিটি ইউনিয়নের মৌলিক সাক্ষরতার অনেক শিক্ষকই, নেত্রকোনার এরিয়া ম্যানেজার বাপ্পি দত্ত, অফিস সমন্বয়কারী এরশাদ মিয়ার নিকট শিক্ষকরা জানতে চায়, আমাদের বেতন দেওয়ার কথা ৭ হাজার ২ টাকা করে, কিন্তু ৪ হাজার ৮ শত করে টাকা দেওয়া হল কেন? জবাবে নেত্রকোনার সাক্ষরতা প্রকল্পের অফিস সমন্বয়কারী এরশাদ মিয়া বলেন, নেত্রকোনা মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের প্রধান পূর্বধলার আরিফুল ইসলাম, এই প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করেন। আমি তার অধীনে চাকরি করি। উনি (আরিফুল ইসলাম) বলেছেন, এ বেতন পাশ করাতে বিভিন্ন অফিসে টাকা দিতে হয়েছে, এজন্য আপনাদের বেতন ৭ হাজার ২ শত টাকা থেকে ৪ হাজার ৮ শত করে টাকা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নেত্রকোনা মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের প্রদান আরিফুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, সাক্ষাতে কথা বলেন, এ বলে মোবাইল ফোনটি কেটে দেন।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এসএ/আরএএম