বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬

২০ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬

২০ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> প্রমাণ মিলেছে যৌন হয়রানির, রিপোর্ট কখনই প্রকাশ করবে না বিসিবি

>> মার্কিন ভোটাররা বিরক্ত হলে ইসরাইলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হবো: ট্রাম্প

>> নিজের পিস্তলের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

>> সাভারে পুলিশের গাড়িতে আগুন, ওসিসহ আহত ৫০

>> ডিসেম্বরের মধ্যে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ: মজুরি বোর্ড

>> প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা, পদ হারালেন সেই কর্মকর্তা

>> পোশাক খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগে ৩ শ্রমিক নেতা আটক

>> নতুন দায়িত্ব পেলেন ইশরাক

>> যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর হলেন কেইশা ল্যান্স বোটমস

>> আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করব: তেহরানে বিশাল বিলবোর্ডে নতুন হুমকি

আপনি পড়ছেন : নেত্রকোনা

থানায় জিডি

প্রধান শিক্ষক গালমন্দ দেওয়ায় স্কুল শিক্ষিকা নিখোঁজ


DhakaReport24.com || 2022-03-13 03:56:00
প্রধান শিক্ষক গালমন্দ দেওয়ায় স্কুল শিক্ষিকা নিখোঁজ

নেত্রকোনার মদন উপজেলার ওয়াফিয়া আক্তার (৩৬) নামে এক স্কুল শিক্ষিকা ৫ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তার সন্ধান চেয়ে স্বামী এমদাদ উল্লাহ রোববার (১৩ মার্চ) রাতে মদন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

নিখোঁজ ওয়াফিয়া উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের সাহিতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা। তিনি উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের হাসনপুর গ্রামের মুফতি হোসাইন আহম্মদের মেয়ে ও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া এলাকার এমদাদ উল্লাহর স্ত্রী।

থানায় ডায়েরি সূত্রে জানা যায়, ওয়াফিয়া আক্তার গত ৮ মার্চ নিজ কর্মস্থল সাহিতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান। ওই দিন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান জানুর সঙ্গে তার তর্ক-বিতর্ক হয়।

এতে প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান জানু, সহকারী শিক্ষিকা নাহিদা আক্তার রেখা, হেভেন আক্তার ও মো. নজরুল ইসলাম যৌথভাবে ওয়াফিয়াকে গালমন্দ করে। এরপর দিন থেকেই ওয়াফিয়া আক্তার নিখোঁজ রয়েছে। 

ডায়েরিতে আরও উল্লেখ রয়েছে, গত ডিসেম্বর মাসেও প্রধান শিক্ষক ওয়াফিয়া আক্তারকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। পরে বিষয়টি মদন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবর লিখিতভাবে জানালে বিষয়টির মীমাংসা হয়।

জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান জানু জানান, ওয়াফিয়ার স্বামী থানায় মিথ্যা ডায়েরি করেছেন। গত ৮ মার্চ ওয়াফিয়ার সাথে আমার তর্কবির্তক হয়েছিল। এরপরে রাগে বাড়ি চলে যান। পরে আর স্কুলে না আসায় তাকে অনুপস্থিত দেখানো হচ্ছে।

মদন উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, আমি শুনেছি সাহিতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ৫ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

মদন থানার ওসি মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, স্কুল শিক্ষিকার নিখোঁজের বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/আরএ/আরএএম