ফরিদপুরে বাল্যবিয়ের খবর শুনে কিশোরীর বাড়িতে ছুটে আসেন ইউএনও তানজিলা কবির ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন আক্তার । মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার চরপাঙ্গাশিয়া গ্রামের মাইনুল মোল্লা (৩৫) বরবেশে বিয়ে করতে এসেছিলেন এবং তার সঙ্গে ছিলেন সহযাত্রীরা। ভোজপর্বও সেরে নেন তারা।
কিন্তু পাত্রীর বয়স ১৭ বছর হওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর বিয়ে হয়নি। বাল্যবিয়েটি বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন।
শুক্রবার (২৫ মার্চ) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার সদর ইউনিয়নে এমনই ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানায়, বিয়ের আয়োজনের আগে কিশোরীর বাড়িতে বরযাত্রীরা খাওয়া-দাওয়া করেন। খাওয়া-দাওয়ার পরই বিয়ে পড়ানোর কথা ছিল। এ খবর শুনে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে কিশোরীর বাড়িতে হাজির হন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা কবির। তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন আক্তার।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেয়। ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত ওই কিশোরীর বিয়ে আয়োজন করবেন না মর্মে বর মাইনুল মোল্লা, বরের অভিভাবক কোহিনুর হোসেন ও মেয়ের বাবা মান্নান মিয়ার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এবি/আরএএম