মৎস্য বিভাগে মহা দুর্নীতিবাজ হিসেবে পরিচিত উপ-সহকারী প্রকৌশলী সোহেল আহম্মেদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে মন্ত্রনালয়। বিভিন্ন দৈনিকে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর মৎস্য বিভাগ তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
আগামী সোমবার মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগের উপ-পরিচালক তোফাজ উদ্দীন ঝিনাইদহে আসছেন। তিনি ঝিনাইদহ জেলা মৎস্য কর্মকর্তার অফিসে দুর্নীতিবাজ সোহেল আহম্মেদের দুর্নীতি তদন্ত করতে ভুক্তভোগীদের বক্তব্য শুনবেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ঠিকাদারী কাজ দেওয়ার নাম করে ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া পুকুর খনন বাবদ অনেক এক্সকেভেটর (ভেকু) মালিক তার কাছে টাকা পাবে। তার দুর্নীতির কারণে ঝিনাইদহ জেলা মৎস্য বিভাগ গত দুই বছর কোন প্রকল্প গ্রহণ করতে পারেনি। এদিকে টাকা অদায়ে ব্যর্থ হয়ে ঝিনাইদহের বিভিন্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের একাধিক মামলা করেছেন ঠিকাদাররা।
ঝিনাইদহ জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কবির হোসেন, হরিণাকুন্ডুর ইমারত হোসেন, হরিণাকুন্ডু উপজেলার পোলতাডাঙ্গা গ্রামের ঠিকাদার আব্দুল গনি, ঝিনাইদহ শহরের লিমা এন্টারপ্রাইজের মালিক আশরাফুল আলম মফিজ ও শৈলকুপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ এলাকার তালহা এন্টারপ্রইজের মালিকসহ ঝিনাইদহের এক ক্ষমতাধর সংসদ সদস্যের ভাতিজাও উপ-সহকারী প্রকৌশলী সোহেল আহম্মেদের কাছে টাকা দিয়ে ধরা খেয়েছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন দৈনিকে তথ্যভিত্তিক খবর প্রকাশিত হলে মৎস্য অধিদপ্তর তদন্তের উদ্যোগ গ্রহণ করে। আগামী সোমবার বেলা দশটায় ঝিনাইদহ জেলা মৎস্য কর্মকর্তার অফিসে তদন্ত কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।