পাবনা সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় পিটিয়ে জখম করেছে এক বখাটে।
জানা যায়, রাবেয়া বসরী সহপাঠীদের সাথে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে পথ অবরোধ করে সাতবাড়িয়া ডিগ্রী কলেজের সামনে গতকাল বুধবার লাঞ্ছিত করে পার্শ্ববর্তী শিকদারপাড়া গ্রামের ফারুক হোসেন মোল্লা ও সাতবাড়ীয়া ইউপি সদস্য শাপলা খাতুনের বখাটে ছেলে ফাহাদ মোল্লা।
রাবেয়া বসরী কাচুরী গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আনসার আলীর মেয়ে এবং সাতবাড়ীয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী।
গুরুত্ব আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। লোকজনের আসার উপস্থিতি বুঝতে পেরে বখাটে ফাহাদ হোসেন দ্রুত ঘটনা স্থাল থেকে পালিয়ে যায়।
রাবেয়ার পারিবারিক সূত্র জানায়, উক্ত ফাহাদ ইতিপূর্বেও একাধিকবার তাকে উত্ত্যক্ত করেছে।
রাবেয়া বসরীকে লাঞ্ছিতের জন্য তার সহপাঠীরা আজ বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ের গেটে ঘন্টাব্যাপী বিক্ষোভ করে মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অতিদ্রুত দোষীকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে।
এই ঘটনায় অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে ফাহাদ মোল্লাকে আসামি করে সুজানগর থানায় মামলা দায়ের করেছে।
সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত ডাক্তার ফারজানা আক্তার বলেন, আঘাত গুরুত্বর হলেও এখন সে আশঙ্কা মুক্ত। কয়েকদিন হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলবে।
সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান বলেন, মামলা দায়ের পর থেকেই পুলিশ তৎপর রয়েছে। তাকে দ্রুত গ্রেফতার করতে পুলিশ কাজ করছে।
পরবর্তীতে তারা রাজাকারে যোগ দিয়েছেন মর্মে প্রসিকিউশনের অভিযোগ। কিন্তু এই মর্মে কোনো দলিল দিতে পারেনি তারা।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমএম/আরএএম