বৃষ্টির কারণে শেষ পর্যন্ত পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে হলো বাংলাদেশ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি। ডমিনিকার উইন্ডসর পার্কে বাংলাদেশ ১৩ ওভার ব্যাটিং করে। এসময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ১শ ৫ রান তোলে। এরপর বৃষ্টি শুরু হলে বন্ধ করে দেওয়া হয় ম্যাচ।
টি-টোয়েন্টিতে ফল আনতে কমপক্ষে যে ৫ ওভার খেলা হতে হয়, সেটির জন্য পর্যাপ্ত সময় ছিল না বলে মনে করেছেন আম্পায়াররা। এ মাঠে কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থাও ছিল না।
বৃষ্টি বাধার আগে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের চিত্রটা অবশ্য উপভোগ্য ছিল না তেমন। সেটি রঙ বদলেছে বার বার, খানিকটা ডমিনিকার আকাশের মতোই। সাকিব আল হাসানের ১৫ বলে ২৯ রানের ঝোড়ো ইনিংসে বেশ ভালো একটা ভিত পেলেও বাংলাদেশ পথ হারায় এরপর— ৬.১ ওভারে ২ উইকেটে ৫৬ রান থেকে ১১তম ওভারে পরিণত হয় ৭৭ রানে ৭ উইকেটে। আগেভাগেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তখন বাংলাদেশের, সেটি হয়নি মূলত নুরুল হাসানের কারণেই। ১৬ বলে ২৫ রানের ইনিংসে বাংলাদেশকে ১০০ পার করান তিনি।
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের তৃতীয় বলেই ফেরেন মুনিম শাহরিয়ার, আকিল হোসেনের ঝুলিয়ে দেওয়া বলে আগবাড়িয়ে খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লেগে উইকেটকিপারের হাতে ধরা পড়েন নিজের তৃতীয় আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা মুনিম। তাঁর সঙ্গে ওপেনিংয়ে আসা সাত বছর পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলতে নামা এনামুলের শুরুটা ইতিবাচকই হয়, আকিলকে কাট করে চার মারার পর শেফার্ডকে ডাউন দ্য লেগের বলে মারেন আরেকটি। তবে ১০ বলে ১৬ রান করে ওবেদ ম্যাকয়ের ফুললেংথের বল মিস করে এলবিডব্লু হন তিনি, রিভিউ নিলেও শেষরক্ষা হয়নি তাঁর।
এনামুল ও মুনিমকে হারালেও সাকিবের দারুণ ব্যাটিংয়ে পাওয়ারপ্লের ৫ ওভারে বাংলাদেশ তোলে ৪৬ রান। ওই সময়ে ৭টি চারের সঙ্গে আসে ১টি ছক্কা।
চারে নামা লিটন দাস অবশ্য নড়বড়ে ছিলেন শুরু থেকেই। দুইটি বাউন্ডারি মেরেছিলেন, তবে নিয়ন্ত্রণ ছিল না। স্ট্রাইক বদলাতেও হিমশিম খাচ্ছিলেন তিনি। অবশেষে সপ্তম ওভারে রোমারিও শেফার্ডের ধীরগতির শর্ট বলে তুলে মারতে গিয়ে শর্ট মিডউইকেটে উইন্ডিজ অধিনায়ক নিকোলাস পুরানের হাতে ধরা পড়েন লিটন, ১৪ বলে ৯ রান করে। ৫৬ রানে বাংলাদেশ হারায় তৃতীয় উইকেট।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/সাখা/আরএএম