অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনের জন্য সুফল বয়ে আনবে পদ্মা সেতু। স্বপ্নের সেতু বাস্তবে রূপ নেয়ায় উচ্ছ্বসিত খেলোয়াড়রাও। এদিকে বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফীও জানালেন আশার বাণী। পদ্মা সেতুর ফলে তার জেলা নড়াইলের আর্থসামাজিক অবস্থারও উন্নতি ঘটবে বলে বিশ্বাস তার। শনিবার (২৫ জুন) স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পদ্মা বহুমুখী সেতু দিয়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াত সহজ হবে। চলাচল সহজ করার পাশাপাশি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে পদ্মা সেতু। শুধু তাই নয়, পদ্মা সেতু প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলবে ক্রীড়া ক্ষেত্রেও। উপকৃত হবেন খেলোয়াড়রাও। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফীও মনে করেন, পদ্মা সেতু পুরো দেশের পাশাপাশি তার জেলা নড়াইলের আর্থসামাজিক অবস্থারও উন্নতি ঘটাবে।
বাংলাদেশের জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফী বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে নড়াইলের আর্থসামাজিক অবস্থার যে উন্নতি হবে, যোগাযোগ অবস্থার যে উন্নতি হবে, তা অকল্পনীয়। খুলনা বিভাগের মধ্যে পড়ে নড়াইল জেলা, আমাদের এখানে বেকারত্ব দূর করার জন্য কিন্তু বড় বড় প্রকল্প নেই। ফলে পদ্মা সেতু হওয়ায় যে সংযোগ তৈরি হয়েছে দুই পাড়ে, এখন কিন্তু ঢাকা থেকে আমাদের এখানে আসতে সময় অনেকটা কমে গেল। ফলে আমি মনে করি, ঢাকার বাইরে যে প্রকল্পগুলো করা হয়, তা এই এলাকায়ও করতে পারবে।’
মাশরাফী আরও বলেন, ‘নড়াইকে যদি আপনারা দেখেন, তাহলে দেখবেন খেলাধুলায় সবসময়ই বিরাট ভূমিকা পালন করে এসেছে। জাতীয় দলে আমিসহ সাতজন অধিনায়কত্ব করেছেন। এখনো ছয়জন অধিনায়ক আছেন, যা অনেকেই জানেন না। এটা কিন্তু আমাদের জন্য অনেক বড় কথা। আর এটা আমি বাংলাদেশের জাতীয় দলের অধিনায়কের কথা বলছি, শুধু ক্রিকেট নয়। আর সংস্কৃতির জন্যও নড়াইল এগিয়ে আছে।’
এদিকে বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়ক সাকিবও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কারণ, তার বাড়িও যে দক্ষিণের জেলা মাগুরায়। সাকিবের মতো এ সেতু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের কাছে স্বপ্নের সেতু। এর আগে পদ্মা পাড়ি দিতে ওই অঞ্চলের মানুষকে নির্ভর করতে হতো ফেরির ওপর। ঈদের সময় যেটা আবার ভোগান্তির সঙ্গে ছিল অনিরাপদ।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম