জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সাদিয়া ছাত্র মেসে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুন লেগে ৪ টি কক্ষ পুড়ে গেছে।সেইসাথে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মেসে থাকা শিক্ষার্থীদের জিনিসপত্র।
গতকাল রাত ১০ টার দিকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে মেসটিতে।আগুন লাগার ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর, প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান এবং ছাত্র পরামর্শক ও উপদেষ্টা দপ্তরের পরিচালক তপন কুমার সরকার।
আগুন লাগার প্রায় ১৫ মিনিট পর ত্রিশালের ফায়ার সার্ভিসের ২ টি ইউনিট প্রায় ৪৫ মিনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় তারা।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মঈন খান বলেন, "কক্ষে ল্যাপটপ, চার্জার, রাইসকুকার, উকুলেলে, ঢোলসহ প্রায় লাখ টাকার জিনিসপত্র ছিল।সবকিছুই পুড়ে গেছে।শুধুমাত্র একাডেমিক দুটি কাগজপত্রের ফাইল অর্ধপোড়া অবস্থায় বের করে এনে রক্ষা করতে পেরেছি।"
অগ্নি নির্বাপক দলের লিডার একাব্বর আলী বলেন, "নিম্নমানের তার থেকেই এই সূত্রপাত হতে পারে।আর আগুন নেভানোর জন্যে পানির অভাব।এছাড়া পানির সোর্সেরও অভাব রয়েছে।যার জন্যে নিয়ন্ত্রণে আনতে বিলম্ব হয়।"
মেস মালিক নাজমুল করীম সোহাগ বলেন," নামাজ পড়ার পর মেসের পাশেই বসে ছিলাম। হঠাৎ চিৎকার শুনে বাহিরে এসে দেখি দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে।বালতি দিয়ে পানি দেওয়া শুরু করি।এরপর ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।"
উল্লেখ্য, মেসটিতে থাকা ৮ টি কক্ষের মধ্যে ৪ টি কক্ষ পুরোপুরি পুড়ে যায়।এছাড়া আরো ২ টি কক্ষের আংশিক পুড়ে গেছে।