শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি এখনো চূড়ান্ত হয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

>> তাহসিফের মৃত্যু: রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন বান্ধবী দিশা

>> ৪ দেশের জন্য হরমুজের দরজা খুলে দিল ইরান

>> গোপালগঞ্জে সাবেক ৩ ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

>> অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী

>> যুক্তরাষ্ট্রে ৫৪৮ জনের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর

>> আন্দোলনে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের’ উদ্দেশ্য সফল হবে না: রিজভী

>> তুরস্কের পার্লামেন্টে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন

>> পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা

>> দেশের সব কারাগারের জন্য ৭ দফা নির্দেশনা

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

শহীদ আসাদ দিবস আজ


DhakaReport24.com || 2026-01-20
শহীদ আসাদ দিবস আজ

আজ ২০ জানুয়ারি। শহীদ আসাদ দিবস। ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানে এই দিনে মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এটি তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। ১১ দফা দাবিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলি চালায় পুলিশ। সেই গুলিতে সেদিন নিহত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ছাত্র আসাদ, আহত হন আরও অনেকে।

শহীদ আসাদের এ আত্মত্যাগ চলমান আন্দোলনে যোগ করে নতুন মাত্রা। বাঙালির স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ জেল-জুলুমের ভয় উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে।

পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করে, যা পরবর্তী সময়ে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে শহীদ আসাদ দিবস খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খান সরকারের বৈষম্যমূলক আচরণ ও দমন-পীড়নে যখন বাংলার মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন এ নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনতার আন্দোলন এক নতুন রূপ নেয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে শহীদ আসাদ একটি অমর নাম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার বাণীতে বলেন, ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদের আত্মত্যাগ আন্দোলনকে বেগবান করে। জেল-জুলুম উপেক্ষা করে স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হয় এবং গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। স্বৈরশাসক আইয়ুব ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন, পতন হয় স্বৈরশাসনের।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম