চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হতে একজন পাহাড়ি সন্ত্রাসীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে দুটি একনলা বন্দুক ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
আটককৃতের নাম চন্দ্র চাকমা(৩৮)। তিনি বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবর্তী ইউনিয়নের পুণর্বাসন চাকমা পাড়ার সুনীল চাকমার পুত্র।
গত ২২মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শিবলী নোমান, লোহাগাড়া থানার ওসি মুুহাম্মদ আতিকুর রহমান, এসআই শরীফুল ইসলাম পিপিএম, এসআই রুহুল আমিন ও এএসআই মোরশেদ আলম ও সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স এ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
থানা সূত্রে জানা যায়, দুইজন পাহাড়ী সন্ত্রাসী অন্যান্য দিনের মত উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দূর্গম পাহাড়ী টিলায় সৃজিত সেগুন বাগানে অপরাধমূলক কাজে ব্যবহারের জন্য অবৈধ অস্ত্রসহ অবস্থান করছিল। উক্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই করে ওই ওয়ার্ডের দূর্গম পাহাড়ি টিলার সেগুন বাগানের পশ্চিম প্রান্তে গাছের ওপর বানানো টং ঘরের নিচে পাহাড়ি টিলার ঢালু জায়গায় ২জন পাহাড়ি সন্ত্রাসী অবস্থান নিয়েছিল। আমাদের থানা পুলিশের বিশেষ টিমের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।তাদেরকে ঘেরাও করে হেফাজতে থাকা অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমাদের লক্ষ্য করে পর পর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে উঠে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শিবলী নোমান স্যারের নির্দেশে সরকারী সম্পত্তি ও আত্মরক্ষার্থে ২ রাউন্ড পাল্টা সীসা কার্তুজ ফায়ার করা হয়।তাদেরকে ধাওয়া করে ১জন পাহাড়ী সন্ত্রাসীকে ডান হাতে থাকা ১টি দেশীয় তৈরী একনলা বন্দুকসহ চন্দ্র বড়ুয়াকে আটক করতে সক্ষম হয়। তার সহযোগী পাহাড়ি সন্ত্রাসী তরুণ চাকমা একনলা বন্দুকটি রেখে কৌশলে পালিয়ে যায়।
লোহাগাড়া থানার ওসি মুুহাম্মদ আতিকুর রহমান জানান, ২জন পাহাড়ি সন্ত্রাসীর মধ্যে চন্দ্র চাকমাকে আটক করা হয়। অপরজন পাহাড়ি সন্ত্রাসী তরুণ চাকমা অস্ত্র রেখে কৌশলে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় অস্ত্র আইন ও পুলিশ আক্রমন করায় ২টি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে।আসামী চন্দ্র চাকমাকে চট্টগ্রাম আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/টিএএস/আরএএম