বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : চট্টগ্রাম

মাদ্রাসা ভেঙে দোকান নির্মাণ মোতাওয়াল্লীর: এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি


দেলোয়ার হোসেন রশিদী, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম)- স্টাফ রিপোর্টার
DhakaReport24.com || 2023-03-11 12:30:30
মাদ্রাসা ভেঙে দোকান নির্মাণ মোতাওয়াল্লীর: এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি

চট্টগ্রাম লোহাগাড়ায় ফোরকানিয়া মাদ্রাসা ভেঙে মুদির দোকান নির্মাণ করেছে মোতাওয়াল্লী। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার পদুয়া ৮নং ওয়ার্ডের ধলিবিলা হানিফারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওয়াক্ফকৃত মাদ্রাসার জমি উদ্ধার করতে প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৬ সালে হাজ্বী আবদুর রহমান দ্বীনের প্রচার ও প্রসারের জন্য কোমলমতি শিশু-কিশোরদের শিক্ষা দানের উদ্দেশ্যে ২ কানি ৭ গন্ডা নাল জমি ওয়াক্ফ করে “হানিফারচর ফোরকানিয়া মাদ্রাসা” একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। উক্ত প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করার জন্য মোতাওয়াল্লী হিসেবে নিযুক্ত করেন তার সন্তান আবদুল হাই-কে। দীর্ঘদিন উক্ত মাদ্রাসা পরিচালনার পর ১৯৯১ সালে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে মাদ্রাসা ভবনটি ভেঙে যায়। এরই সুবিধা উঠিয়ে নিযুক্ত মোতাওয়াল্লী মাদ্রাসা ভবনটি ভেঙে গড়ে তোলেন নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান- মুদির দোকান। পরবর্তীতে বি.এস জরীপ আসলে তিনি উক্ত জায়গাটি নিজের নামে জরীপি খতিয়ান সৃষ্টি করে নেন।

এ বিষয়ে ওয়াক্ফকৃত জায়গার মালিক হাজ্বী আবদুর রহমান- এর নাতি নুরুল আবছার জানান, “আমার দাদার ওয়াক্ফকৃত জায়গায় আমার চাচা আবদুল হাই মুদির দোকান স্থাপন করেছেন। আমরা এলাকাবাসী উক্ত জায়গায় মাদ্রাসা পুনরায় স্থাপন করার কথা বলতে গেলে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা আমাদের উপর হামলা করার চেষ্টা করেন। তার সন্তানেরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং একাধিক মামলার আসামী। অদ্যাবধি উক্ত জায়গায় মাদ্রাসা পুনঃস্থাপনের কথা তুললেই তারা হামলা করে এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি ও মামলার হুমকি দেয়। এ বিষয়ে উক্ত জমি উদ্ধারের জন্য আমরা উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করি।”

স্থানীয় ইউপি সদস্য নাছির উদ্দীন বলেন, বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান সহ অনেক বৈঠক হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদেরকে উক্ত ওয়াক্ফকৃত জায়গা ফেরত দিতে বারবার অনুরোধ করেছি। কিন্তু তারা আমাদের কথায় কর্ণপাত করেননি। এ জায়গা তারা জোর করে দখলে রেখেছেন।

এ বিষয়ে লোহাগাড়া থানার অফিসার ইন-চার্জ আতিকুর রহমান জানান, “ওয়াক্ফকৃত প্রতিষ্ঠানের জায়গা দখল বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তের জন্য একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।