লোহাগাড়ায় পাচারকালে বিপন্ন প্রজাতির ২টি লজ্জাবতী বানর, ১টি লক্ষী প্যাঁচাসহ ৪জন যুবককে আটক করেছে থানা পুলিশ। এসময় দুটি মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়।
২৭ জানুয়ারী জুমাবার বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বার আউলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাঙ্গালিয়ার সামনে হতে অভিযান চালিয়ে রক্ষিত বন্যপ্রাণী প্রজাতির করা হয়েছে।
আটককৃতদের নাম যথাক্রমে বান্দরবান জেলার আলিকদম দানু সর্দার পাড়ার আনোয়ার হোসেনের পুত্র মোবারক হোসেন(২৭), আলিকদম পুর্ব পালং পাড়া এলাকার মৃত আমির হোসেনের পুত্র সাদ্দাম হোসেন (২৭), আলিকদম উত্তর পালং পাড়ার সৈয়দ হোসেনের পুত্র মহি উদ্দিন (২৪) এবং খুলনা সোনাডাঙ্গা বায়রা এলাকার মৃত দিলু সিকদারের পুত্র আজহার সিকদার(৪৮)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রত্যেককে ৬মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাহজাহান।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান,চুনতি বন্যপ্রানী রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদুল হোসেনসহ থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আতিকুর রহমান বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিলো বান্দরবান জেলার আলিকদম থেকে চককিয়া হয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে বিক্রি করার জন্য প্রাণীগুলো নিয়ে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে উল্লিখিত এলাকায় গাড়িটি থামিয়ে ২টি লজ্জাবতী বানর ও ১টি লক্ষী প্যাঁচাসহ ৪জন যুবক আটক করতে সক্ষম হয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, আটককৃত ৪জন যুবকরা তার দোষ স্বীকার করে বলেন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বিরল প্রজাতির এইসব প্রাণীগুলো নিয়ে যাচ্ছিলেন। বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন, ২০১২ এর ৩৪ (খ) ধারা অনুযায়ী এভাবে বন্য প্রাণী ক্রয়-বিক্রয় এবং আমদানি-রপ্তানি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আটককৃত ব্যক্তিদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের অপরাধ স্বীকার করায় আইন অনুযায়ী তাদের প্রত্যেককে ৬মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।