মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন চট্রগ্রামের ভান্ডারিয়া বাসিন্দা মোঃ খালেক ভূইয়া। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ মুক্তিযোদ্ধার স্বপক্ষে সকল নথিপত্রও তৈরি ছিল। তার সন্তান জাল মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট দিয়ে বর্তমানে সরকারী চাকরিতে বহাল মোঃ হানিফ ভূইয়া।
অভিযোগ উঠেছে, মোঃ খালেক ভূইয়া ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজ সংলগ্ন লখিপুরা তাদের নিজ ঠিকানা মোঃ হানিফ ভূইয়া তাহার পিতার মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে সরকার যাচাই বাচাই করলে দেখা যায়, সে মুক্তিযুদ্ধের কোন তালিকায় বা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি, অতপর তাকে মুক্তিযুদ্ধা থেকে বাতিল করা হয়। এবং সকল সুযোগ- সুবিধা ভাতাদি বন্ধ করা হয়। তাকে জালিয়াতি বা ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অত্র মুক্তিযোদ্ধা থেকে বাতিল করা হয়। কিন্তু তাহার পিতার সেই জালিয়াতি মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট নিয়ে এখনও মোঃ হানিফ ভূইয়া পূর্ব মাঠিভাংগা ৯৫নং প্রাথমিক সরকারি বিদ্যালয়ে চাকরিতে কর্মরত আছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোঃ হানিফ ভূঁইয়া বলেন, তিনি নিজেই শিকার করেন বর্তমানে আমার বাবার ভাতা বন্ধ রয়েছে। সর্বশেষ যে তালিকা রয়েছে সেখানে তার নাম নাই। প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি স্মারক লিপি প্রদান করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদেও দিয়েছেন বলে জানান। তিনি আরো বলেন, এজন্য আমরা আপিল করেছি। যে কোন সময় শুনানি হতে পারে। তার জন্য অপেক্ষা করছি।
ভান্ডারিয়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসার বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সঠিক মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় রয়েছে। যারা তালিকায় নাই তারা ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট রুমানা আফরোজ বলেন, ইউএনও ম্যাম ট্রেনিংয়ে রয়েছে। তিনি আসার পর এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমজার/আরএএম