চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাচন অফিস নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনা সমালোচনা চললেও ইদানিং কমেছে দালাল চক্রের দৌরাত্ম।
কিছু বহিরাগতদের অনৈতিক অর্থ লেনদেনে নির্বাচন অফিসার সমালোচনার শিকার হলেও অফিসের কঠোর শৃঙ্খলায় কমেছে এসব দালালদের দৌরাত্ম। ফলে জনগণ অনায়াসে পাচ্ছে সেবা।
সরেজমিন দেখা যায়, হাশেম নামে এক প্রবাসী বের হচ্ছেন অফিস থেকে। জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি গতকাল বাইরে আবেদন করেছিলাম। আজকেই ফাইলটি অনুমোদন করে দিয়েছেন নির্বাচন অফিসার। ফলে খুব কম সময়ে ছবি তোলতে পেরেছি। আশা করি কয়েকদিনের মধ্যে কার্ড পেয়ে যাবো।
রাফি নামে এক চিকিৎসক বলেন, আমার এনআইডি তথ্য সংশোধনের জঠিলতা দেখা দিলে নির্বাচন অফিসারের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে যথাযথ সম্মান দিয়ে কয়েক মাসের কাজটি এক ঘণ্টার মধ্যে সমাধান করে দিলেন। আসলে তিনি ভদ্র ও পরিশ্রমী মানুষ।
সেবার ব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন অফিসার হুমায়ুন কবির বলেন, স্বল্প লোকবল ও কারিগরি সীমাবদ্ধতার পরেও আমরা সর্বোচ্চ সেবা দিতে চেষ্টা করছি। যেহেতু সেবাদাতার চেয়ে সেবাপ্রার্থী বেশি তাই অফিসের বাইরে আমার অলক্ষ্যে কিছু অনিয়ম হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একটি চক্র মানুষকে আমার সাথে সম্পর্ক আছে বলে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এ বিষয়ে অবগত হওয়ার পর আমি কঠোর শৃঙ্খলা আরোপ করেছি। ফলে এখন সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমেছে। আমরা গত জুলাই ২০২১ থেকে মার্চ ২০২২ পর্যন্ত ১১ হাজার ২০০ নতুন ভোটার করেছি।
নির্বাচন অফিসার বলেন, এছাড়া প্রায় নয় হাজার তথ্য সংশোধনী সম্পন্ন করেছি। যা সারা দেশের জন্য দৃষ্টান্ত। যেহেতু প্রতিদিনই শত শত মানুষ এনআইডি সংশোধন, স্থানান্তরসহ নানা সেবা নিতে আসছে। আমি প্রবাসী, রোগী ও চিকিৎসকদের প্রধান্য দিয়ে সেবা দিচ্ছি।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/আরএ/আরএএম