শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির আটক

>> ইরানে হামলা না চালালে ইসরাইল পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যেত: ট্রাম্প

>> ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ভেতর বাসে আগুন

>> ইরানের ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

>> পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি এখনো চূড়ান্ত হয়নি: বাণিজ্যমন্ত্রী

>> তাহসিফের মৃত্যু: রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন বান্ধবী দিশা

>> ৪ দেশের জন্য হরমুজের দরজা খুলে দিল ইরান

>> গোপালগঞ্জে সাবেক ৩ ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

>> অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী

>> যুক্তরাষ্ট্রে ৫৪৮ জনের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর

আপনি পড়ছেন : নোয়াখালী

হাতিয়ার কাঁচাবাজারে আগুন, সাধ্যের বাইরে মাছ- মাংস


মোঃ হানিফ উদ্দিন সাকিব, হাতিয়া (নোয়াখালী)- প্রতিনিধি
DhakaReport24.com || 2023-03-24 17:32:00
হাতিয়ার কাঁচাবাজারে আগুন, সাধ্যের বাইরে মাছ- মাংস

রমজানের শুরুতেই হাতিয়ার  বিভিন্ন বাজারে বেড়েছে বেগুন, শসা, টমেটো, গাজর, লেবুসহ অন্যান্য কাঁচামালের দাম। চড়া দামের মাছের দাম আরও চড়েছে। এখন শাক-সবজির মৌসুম হলেও বাজারে কাঁচামালের দাম এমন অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে ক্রেতাদের মাঝে অস্বস্তি বিরাজ করছে। বাজারে মাছ, শাক-সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও রমজান উপলক্ষে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।শুক্রবার (২৪ মার্চ) হাতিয়ার  ওছখালী, তমরউদ্দি, সাগরিয়া, জাহাজমারা, চরচেঙ্গা, মাইজদী বাজার ও চৌমুহনীসহ আশেপাশের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুনের কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, শশা ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও লেবু ২০ থেকে ২৫ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে এসব পণ্যের দাম বেড়েছে। রমজানে এসব পণ্যের চাহিদা বেশি থাকার সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি গোল বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, লম্বা বেগুন মানভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম কমেছে কাঁচামরিচের। ১২০ টাকা কেজির কাঁচামরিচ সপ্তাহের ব্যবধানে কমে ৮০ টাকায় নেমেছে।

ওছখালী  বাজার করতে আসা ক্রেতা আব্দুল রহিম  বলেন, প্রতিদিনই হু-হু করে বাড়ছে খাদ্যপণ্যের দাম। বাজারে এলেই শুনি এটার দাম ওটার দাম বাড়তি। কোনোকিছুর দাম কমতে শুনি না। যেটাতেই হাত দেই সেটার দামই বেড়ে যায়।

একই বাজারে বাজার করতে আসা নুরনবী  বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় কাঁচাবাজারের সবজি থেকে শুরু করে প্রতিটি ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও রমজান ঘিরে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কোনো কোনো পণ্যের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ বেড়েছে।

এদিকে মাছের দাম আগে থেকেই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। রমজান শুরুতে এ দাম আরও বেড়েছে। বাজারে রুই মাছের কেজি ৪২০ টাকা, চিংড়ি এক হাজার টাকা, বড় সাইজের কাতল ৪৫০ টাকা, ইলিশ মাছ ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা, টেংরা ৬৫০ টাকা, শোল ৮০০ টাকা, গার্স কার্প ৩২০ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০ টাকা, দেশি কৈ মাছ ১ হাজার টাকা, চাষের কৈ ২৫০-৩০০ টাকা, দেশি শিং ১ হাজার টাকা, চাষের শিং ৫৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ কিনতে বাজারে আব্দুল করিম নামে এক ক্রেতা বলেন, রমজান উপলক্ষে প্রতিটি পণ্যের পাশাপাশি মাছের দামও বেড়েছে। সবজির দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে। সব ধরনের মাছের দাম কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা পযন্ত বেড়েছে। দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এ অবস্থা কাটাতে যথাযথ বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান তিনি।

 

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এসএ/আরএএম