সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। সেই বড় দলে অনেক যোগ্য প্রার্থী আছে। যে কারণে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থাকবে। সেক্ষেত্রে সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকা উচিত। কোথাও কোথাও সেটা দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করে। এটি সারা পৃথিবী ও সব রাজনৈতিক দলেই থাকে। কিন্তু সেটি যেন আমাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কিংবা নির্বাচনের ফলাফলকে কোনোভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে না পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।শুক্রবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউজে জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এসব বিষয়ে আওয়ামী লীগ কী ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে কিংবা নেবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এ প্রতিকূলতা মূলত আছে সব জায়গায়। আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। সাফল্যের সঙ্গে একটানা গত প্রায় ১৫ বছর প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ পরিচালনা করে আসছেন। তার নেতৃত্বে দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নেওয়া, মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত, দেশের মানমর্যাদা বৃদ্ধি, প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা যে উন্নত হয়েছি এবং আমরা একটি উন্নত বিশ্বে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছি; এখন আমাদের উন্নত দেশ গঠনের সবধরনের সক্ষমতা তৈরি হয়েছে।’
দীপু মনি বলেন, ‘তৃণমূল পর্যায় থেকে আমাদের যে সংগঠন, তা খুবই শক্তিশালী। কারণ আওয়ামী লীগের প্রাণ তৃণমূল। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। সেই বড় দলে অনেক যোগ্য প্রার্থী আছে। যে কারণে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থাকবে। সেক্ষেত্রে সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকা উচিত। কোথাও কোথাও সেটা দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করে। এটি সারা পৃথিবী ও সব রাজনৈতিক দলেই থাকে। কিন্তু সেটি যেন আমাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে কিংবা নির্বাচনের ফলাফলকে কোনোভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে না পারে।’
দ্বন্ধ নিরসনে কেন্দ্রীয়ভাবে কমিটি করে দেওয়া হয়েছে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ কমিটি বিভাগ এবং প্রয়োজনে জেলা থেকে উপজেলা পর্যায়ে দ্বন্দ্ব নিরসনে কাজ করছে। সারাদেশেই এ কাজ চলমান।’
চলতি বছর কাগজ কিংবা বিদ্যুতের কোনো সংকট নেই। এ কারণে নতুন বছর সব উপজেলায় যথাসময়ে বই পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এরই মধ্যে প্রাথমিকের টেন্ডার কাজ শেষ হয়েছে। মাধ্যমিকের টেন্ডারের কাজ চলছে। একের পর এক কাজগুলো যাচ্ছে আর অনুমোদন হয়ে আসছে। খুব শিগগির সবগুলোর টেন্ডার কাজ শেষ হবে এবং এক তারিখ (১ জানুয়ারি) আমরা বই উৎসব করতে পারবো।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম রোমান, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুদা নুর খান প্রমুখ।