আমার মানবতা দুর্বলতা নয়।আমি চাই সবাইকে এক সাথে নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে। কিন্তু যারা আমার এ মানবতাকে দুর্বলতা মনে করে বহুমুখি চক্রান্ত করছে, তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আমার এ ইস্পাত কঠিন হাত সেই সব অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনে তরবারিতে পরিনত হবে।জাতির জনকের ৪৪ তম শাহাদাত বার্ষিকীর মাসব্যাপী ধারাবাহিক কর্মসূচির আওতায় ভাওয়ালগড় ইউপি আ.লীগ ও মিজানুর রহমান খানের স্মৃতিবিজোড়িত ঐতিহ্যবাহী বৈরাগীরচালার শোকসভার বিশাল জনসমুদ্রে গাজীপুর-৩ আসনের জন-নন্দিত এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ এসব কথা বললেও এবারের মাসব্যাপী শোক কর্মসূচিতে একই প্রতিধ্বনী উচ্চারিত করেছেন গাজীপুরের সময়ের সাহসী মুখ ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি।
সেদিন তিনি বলেছিলেন,এই আসনের মানুষ অপশাসন ও অশুভ শক্তির করাল গ্রাস থেকে মুক্তি চেয়েছিল।দু:শাসন ও অপরাজনীতি থেকে মুক্তি চেয়েছিল।শৃঙ্খলিত জীবনের অবসান চেয়েছিল। চেয়েছিল অবারিত মুক্ত আকাশ আর নিরাপদে পথ চলার ঠিকানা।তাই তারা তাদের স্বপ্নের রুপকার হিসেবে আমাকে বেছে নিয়েছিলেন বলেই জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ১৮ সালে মনোনয়ন দিয়েছিলেন।এই আসনের মানুষ আমাকে রেকর্ড ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। সে বিজয় আমার ছিল না, ছিল শ্রীপুরের সব মানুষের। জনগন সেদিন তাদের পবিত্র ভোট দিয়ে আমাকে রেকর্ড ভোটে বিজয়ী করে পবিত্র সংসদে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন।আমি যা বলি তা বিশ্বাস করি,যা বিশ্বাস করি তা বুকে ধারন করি এবং যা ধারন করি, তা বাস্তবায়ণ করি।জনগনের দেওয়া প্রত্যেকটি ওয়াদা আমি পালন করব, যত বাধাই আসুক না কেন।কিভাবে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হয় তা আমি জননেত্রি শেখ হাসিনার একজন নগন্য কর্মি হিসেবে শিখেছি।
ইকবাল হোসেন সবুজ দৃড়তার সাথে বলেছিলেন, শ্রীপুরের ৬ লাখ মা বোনের দোয়া ও ভালবাসা আমার সাথে আছে।আমার মেয়ে স্ত্রী মা ভাই বোন যদি গর্ব করে বলতে পারে আমার বাবা, ছেলে, ভাই বা স্বামী একজন এমপি, তবে শ্রীপুরের প্রত্যেক মানুষ বলতে পারবে আমার ভাই সবুজ এমপি। তিনি বলেন,শ্রীপুরের মানুষ নিজস্ব সত্ত্বা নিয়ে বেঁচে থাকবে।সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমি কাজ করে যাব।আমরা আ.লীগের সবাই শেখ হাসিনার কর্মি। আমাদের মধ্যে ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।তবে অশুভ অপশক্তির সাথে কোন ঐক্য হবে না। ভূমিদস্যূ, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়িদের সাথে আ.লীগ ও শেখ হাসিনার সৈনিকদের কোন ঐক্য হতে পারে না।যত ষড়যন্ত্রই করা হোক না কেন, শ্রীপুরকে আমি আধুনিক মানিবক শহর হিসেবে গড়ে তুলবোই। ইকবাল হোসেন সবুজ আবেগময় কন্ঠে সেদিন বলেছিলেন,মোস্তাকের গলায় যারা মালা দিয়েছিল,বঙ্গবন্ধুর রক্তের সাথে যারা সেদিন বেঈমানি করেছিল তাদের বিরুদ্ধে কমিশন করে তাদের মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের দাবি।খুনী মোস্তাকের পেত্মারা অশুভ শক্তি হয়ে এখনো কুটিল চক্রান্ত চালাচ্ছে।তাদেরকে শুভ শক্তি দিয়ে প্রতিহত করতে হবে।
তিনি বলেছিলেন, যারা শ্রীপুরে থাকে না, এখানকার মানুষের কথা ভাবে না, মানুষ ও মানবতার বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত থাকে তাদের বিরুদ্ধে আমার হাত তরবারি হতে একটুও দ্বিধা করবে না।প্রয়োজনে যতটা কঠর হওয়া প্রয়োজন আমি তা হব।শ্রীপুরের মানুষের স্বপ্ন আশা আকাঙ্খাকে আমি মুছে যেতে দেব না, দিতে পারি না।যতদিন আমার মাথার উপর আল্লাহর রহমত থাকবে,জননেত্রী শেখ হাসিনার স্নেহের ছায়া থাকবে,শ্রীপুরের ৬ লক্ষ মা বোনের ভালবাসা থাকবে ততদিন কোন অশুভ শক্তি আমার নামটি শ্রীপুরের মাটি থেকে মুছে ফেলতে পারবে না।তিনি অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিলেন, শেখ হাসিনার সৈনিকদের শুভ শক্তির কাছে অশুভ শক্তি পরাজিত হবেই।তাদেরকে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।একই তেজদীপ্ত আত্মপ্রত্যয় নিয়ে, অগনীত উঠান বৈঠকের মহাসমুদ্রের কাফেলায় দ্বাদ্বশ সংসদ নির্বাচনের মধ্যমণি হয়ে জনতার দোরগোড়ায়, জবাবদিহিতার জনতার মঞ্চে অচীরেই চারনের বেশে ফিরে আসছেন গাজীপুরের রাখাল রাজা,পথ কবি ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এনএ /আরএএম