গাজীপুর ৩ আসনের এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ যতবার শ্রীপুরকে মানবিক উপশহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ততবারই অদৃশ্য হাতের ইশারায় তার সেই স্বপ্নকে নস্যাৎ করে দিতে অপতৎপরতা চালানো হয়েছে।ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাওয়া একটি গোষ্ঠি তাকে থামিয়ে দিয়ে ফায়দা লুটতে চেয়েছে। ফলে শান্তির সুবাতাস আসার আগেই শ্রীপুরকে পরিনত করার চেষ্টা করা হয়েছে রক্তাত্ব জনপদে।অস্থিতিশীল রাজনীতির বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করা হচ্ছে অদৃশ্য হাতের ইশারায়।তাই আতঙ্কের বিভিষিকার লেলিহান শিখায় দগ্ধ হতে হয়েছে মানবিক শহর গড়ার স্বপ্নকে।দৃড় প্রত্যয় ব্যক্ত করতে হয়েছে এই আসনের এমপিকে বারবার।প্রশ্ন উঠেছে কেন এই অপতৎপরতা? কেন এই বিভৎস নোংরা রাজনীতির মহোৎসব? এই ক্ষমতালোভী ব্যর্থ নেপথ্য শক্তির আসল উদ্দেশ্যে কি? এই জনপদের মানুষ বাস্তবতাটা জানেন।কে এসব অপকর্মের পিছনের নাটের গুরু তা কারো অজানা নয়।কতিপয় কেন্দ্রিয় শক্তির সাথে দীর্ঘ বাসর শয্যার মধুর স্মৃতি থাকায়, ঘর করার সুখ-স্মৃতি থাকায় তারই সুযোগ নিয়ে বারবার ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি'র মানবিক রাজনীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ফায়দা হাসিলের নাটক করা হচ্ছে জনগনকে জিম্মি করে।এই জনপদে দীর্ঘ সুবিধাভোগিচক্র এখন পর্যন্ত তাদের রাজনৈতিক পরাজয়কে মানতে পারেননি।পারেননি ইকবাল হোসেন সবুজ এমপির দুরন্ত উত্থান, জনপ্রিয়তাকে মেনে নিতে। এর পিছনে দুটি বিশেষ কারন রয়েছে।
প্রথমত: শিল্প এলাকা শ্রীপুরকে ঘিরে রয়েছে তাদের সুদীর্ঘ দিনের বিশাল ব্যবসা।রাজনৈতিক পট-পরিবর্তন হলেও এখনো এসব জুট বালি ইট মাটি ও ফ্যাক্টরিগুলোর নানামুখি ব্যবসার দন্ডমুন্ডের মালিক তারাই।এসব ব্যবসা যাতে হাতছাড়া না হয় মূখ্যত: এটাই তাদের প্রধান উদ্দেশ্য।দ্বিতীয়ত : উপজেলা নির্বাচনসহ স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে এই চক্রের পরাজয়।জনপ্রত্যাখ্যাত হয়ে তারা জিঘাঙ্সার পঙ্কিল পথের স্বপ্নচারি এখন। তারা কতিপয় কেন্দ্রিয় শক্তির উপর ভর করে ফিরে পেতে চায় হৃত গৌরব।কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন যে সুদুর পরাহত তা হয়ত তাদের জানা নেই এখনো।গাজীপুর-৩ আসনকে ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি'র কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার নীলনক্সার অংশ হিসেবে তাদের অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে এবং সম্ভবত রাখবেও।
দ্বাদ্বশ সংসদ নির্বাচনের প্রচারনায় অভিন্ন মঞ্চে এসে এমপি সবুজ বিরোধী মোর্চার আত্মপ্রকাশ এখন সময়ের ব্যাপার বলে প্রচারনা চালাচ্ছেন তারা।এদের মধ্যে এমন কিছু নেতা রয়েছেন যারা ইউপি মেম্বার হওয়ার মত জনসমর্থন নেই বা অতিতে ৩'শ ভোটও পায়নি অথবা অন্যের বিজয়কে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের করে নিয়েছিলেন, তারাও এখন আগামিতে এমপি হওয়ার স্বপ্ন দেখছ।এছাড়াও ইকবাল হোসেন সবুজ এমপির উদারতা,মানবিকতা, কাউকে তার অতিত কর্মকান্ডের জন্য আইনের আওতায় না আনা,প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে নিজেকে দুরে রাখা, অবাধ রাজনীতি করার সুযোগ থাকা, তাদের মিল ফ্যাক্টরির অর্থের উৎসগুলো থেকে তাদেরকে অপসারন না করা এবং নিজ অনুসারিদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টিকারি গোপন আঁতাতকারি নেতৃত্বের প্রতি কোন কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার প্রেক্ষিতে তারা এহেন অপতৎপরতা চালানোর দু:সাহস দেখাচ্ছে বলে সাধারন মানুষের ধারনা।
অনেক নেতা রয়েছেন যাদের গোপন আঁতাত ও সমঝোতা রয়েছে এমপি সবুজ বিরোধীদের সাথে।পরিকল্পনা, গোপন সমঝোতা,তথ্য পাচার তাদের মূখ্য কাজ।ক্ষমতার পালাবদল ঘটলে তারা এধার থেকে ওধারে যাবে। পদ পদবি নেতৃত্ব ও ব্যবসা ঠিক রাখতেই তাদের দুই নৌকায় পা রেখে পথ চলা।দৃশ্যমান এবং অদৃশ্যমান বিভিষণদের কারনে শ্রীপুরের শ্যামল মানচিত্র বারবার রক্তাত্ব হচ্ছে।হায়েনা ও শকুনের দল খাবলে খাচ্ছে শ্রীপুরে ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি প্রণীত মানবিক মানচিত্র। ত্রিশ বছর পর শ্রীপুরের জনমানুষের ভাগ্যাকাশে যে নতুন সূর্যের আলো ছড়িয়েছিল,অসংখ্য বিনিদ্র রজনীর তমশার আঁধার পেরিয়ে যে নতুন সকাল এসেছিল, মুখর জনপদের বৃন্তে যে আশার গোলাপ ফুটেছিল, শিশিরের শুভ্রতা নিয়ে যে মানবিক জীবনের মালা গেঁথেছিল এই জনপদের সাধারন মানুষ, নন্দিত মানবতার পথিকৃত ইকবাল হোসেন সবুজের অমিয় উঠান বৈঠকের অনন্য চেতনায় যে গণজোয়ারে ভেসে গিয়েছিল অপশক্তির সাজানো মঞ্চ, মূলত তারা পর্দার আড়ালে আজ সুসংগঠিত।তবে অপশক্তির বাড় বা হম্বিতম্বি যত গর্জনই করুক না কেন বর্ষণ কিন্তু হবে না।ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি'র জীবনের সততার সব অর্জন মুছে দিতে,তার রাজনৈতিক মানবিক জীবনকে কলংকিত করে ফায়দা লুটতে শুধু তার বিপক্ষ শক্তিই নয়, তার রাজনৈতিক চলার পথের শীর্ষ নেতাদের মধ্যেও ঘাপটি মেরে রয়েছে ক্ষমতালোভী চক্র।
গাজীপুর-৩ আসনের আগামির ইতিহাস কোন ভাগ্য দেবতা কিভাবে লিখবেন তা অনাগত আগামিই হয়ত বলতে পারবেন।তবে মানবতা প্রতিষ্ঠার আগে অপশক্তির বিদায় করা এখন সময়েরই দাবি।কারন অপশক্তি ও কুচক্রিরা মানবতাকে দুর্বলতা মনে করছে।উদারতাকে অক্ষমতা ভাবছে।গোপনে বুনে চলেছে প্রিয় নেতা ইকবাল হোসেন সবুজের ক্ষমতাচ্যূতির বীজ।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এনএ /আরএএম