বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর রক্তই আজকের বাংলাদেশ। জাতির পিতার হত্যাকারিদের বিচার করে দেশ কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে জাতি পাপমুক্ত হয়েছে।পিতা হত্যাকারিদের নেপথ্য দেশীয়, আন্তর্জাতিক মাস্টারমাইন্ডদের বিচার আগামি প্রজন্মের দায়িত্ব।
আজ ১৫ আগস্ট গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ আয়োজিত জাতিয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উল্লেখিত কথাগুলো বলেন গাজীপুর-৩ আসনের এমপি ও জেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ।
তিনি বলেন,১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশের অগ্রযাত্রা, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের মৌলিক নির্যাস মুছে ফেলার চক্রান্ত করা হয়েছিল।
বিশাল কেক কেটে ভূয়া জন্মদিন পালন করা হত।ইনডেমনিটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে পবিত্র সংসদকে অপবিত্র ও কলঙ্কিত করা হয়েছিল।
জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে সংসদকে পবিত্র করেছেন।বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচার করে জাতিকে অভিশাপ ও কলঙ্ক মুক্ত করেছেন।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে অভিশাপ মুক্ত করেছেন।প্রবর্তন করেছেন ডিজিটাল বাংলাদেশ।উন্নয়নের অবারিত দুয়ারে বাংলাদেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব উন্নয়নের মহাড়কের শৈল্পীক নান্দনিক সাফল্যের বেলাভূমিতে।
বিনির্মিত হচ্ছে আধুনিক নতুন এক বাংলাদেশ।জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে মৃত বঙ্গবন্ধু এখন লক্ষ কোটি গুণ শক্তিশালী।তার আদর্শিক সত্ত্বাকে ঘাতকরা হত্যা করতে পারেনি।বরং তা আরো শাণীত হয়েছে।
এমপি সবুজ বলেন, আজ থেকে ২৫ বছর আগে আমাকে শ্রীপুরে নিষিদ্ধ করেছিল তৎকালিন শাসকগোষ্ঠি।১৮ বছর আগেই আমি বলেছিলাম শ্রীপুর হবে আধুনিক মানবিক সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মাদক ও ভূমিদস্যূ মুক্ত উপশহর।আজ তা দৃশ্যমান।
সহকারি কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ূন কবিরের সঞ্চলণায় এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্ব বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এড সামসুল আলম প্রধান, ভাইস চেয়ারম্যান মাহতাব উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফুন্নাহার মেজবাসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।এসময় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের মধ্যে সেলাই মেশিন ও ১ লাখ টাকা করে চেক প্রদান করা হয়।
অপরদিক উপজেলা আ.লীগ আয়োজিত জনাকীর্ণ সমাবেশেও প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ গ্রহন করেন তিনি।এতে সভাপতিত্ব করেন দলটির সভাপতি হুমাূন কবির হিমু, সঞ্চালনা করেন সাধারন সম্পাদক এড হারুন অর রশিদ ফরিদ।
উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন,সাবেক জেলা আ.লীগের সহ সভাপতি আঃ লতিফ, সাবেক চেয়ারম্যান আমির হামজা, জেলা পরিষদ সদস্য আবুল খায়ের বিএসসি,উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ আলম ভাঙ্গী প্রমুখ।
এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর আ.আলীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক নূর এ আলম মোল্লা,জেলা স্বেচ্চাসেবক লীগ নেতা এড মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, জেলা আ.লীগের সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক কফিল উদ্দিন মন্ডল,আলহাজ্ব এ,কে,এম সাখাওয়াত হোসেন খান,শফিকুল ইসলাম দুলু, লিয়াকত ফকির, কাউন্সিলর মোঃ হাবিবুল্লাহ,জেলা যুব লীগের সাধারন সম্পাদক প্রার্থি শহিদুল্লাহ সরদার,জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি সুলতান সিরাজ, সাধারন সম্পাদক নাছির মোড়ল,উপজেলা ছাত্র লীগ সভাপতি প্রার্থি মাহাবুবুর রহমান,
উপজেলা যুব লীগের সভাপতি প্রার্থি হাবিবুর রহমান জুয়েল,পৌর যুব লীগের আলোচিত সভাপতি প্রার্থি আশরাফুল ইসলাম ওয়াসিমসহ দলটির ওয়ার্ড, গ্রাম, ইউনিয়ন পৌর ও থানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সহযোগি সংগঠনের নেতা কর্মি প্রমুখ।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এসএ/আরএএম