গাজীপুরের কাপাসিয়ার রায়েদ ইউনিয়নের বিবাদিয়া গ্রামের আরিফা খাতুন (৪০) নামের এক বিধবা নারী এ ঘটনা ঘটান। তিনি অভাব সহ্য করতে না পেরে দুই শিশুকন্যাসহ রোববার দুপুরে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঝাঁপ দেন।
এসময় তার তাহমিনা নদীতে ভাসমান একটি বাঁশ আঁকড়ে ধরে। তখন স্থানীয় জেলেরা ওই মেয়ে শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেন। তবে ওই নারী ও তার ছোট মেয়ে মুর্শিদা আক্তার এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। আরিফা খাতুন বিবাদিয়া প্রধানবাড়ির মোহাম্মদ আলীর মেয়ে।
এলাকাবাসী জানায়, প্রায় তিন বছর আগে আরিফা খাতুনের স্বামী নারায়ণগঞ্জের মাদানীগড় এলাকার আব্দুল মালেক মারা যান। তখন থেকে তিনি দুই কন্যাকে নিয়ে পিতার বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে অভাব অনটনের কারণে দুই ভাইয়ের সঙ্গে তার মাঝে-মধ্যেই মনোমালিন্য হতো। এসব কারণে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছিলেন।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম নাসিম 'ঢাকা রিপোর্ট ২৪'কে জানান, তাদের উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। এছাড়া তিনি বলেন, স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই ওই নারী মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওই নারী ও তার সন্তানকে উদ্ধারে আজও তৎপরতা অব্যাহত রাখবে ফায়ার সার্ভিস।তবে তাদের জীবিত থাকার সম্ভাবনা খুবই কম জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। নদীতে প্রচন্ড স্রোত থাকায় তাদের লাশ দূরে চলে যাওয়ার সম্ভবনা বেশি রয়েছে।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/সাখা/আরএএম