বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : গাজীপুর

গাজীপুরের ফুটপাত ব্যবসায়িদের দখলে


DhakaReport24.com || 2022-06-15 13:12:00
গাজীপুরের ফুটপাত ব্যবসায়িদের দখলে

গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ফুটপাত ও সার্ভিস লেন স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দখলে রয়েছে। এতে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে এবং বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে পথচারীদের।

এলাকাবাসী জানায়, গাজীপুরে দুটি মহাসড়ক রয়েছে। একটি ঢাকা-টাঙ্গাইল অপরটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক।সড়ক দুটি চার লেনের। দুই পাশে রয়েছে সার্ভিস লেন ও ফুটপথ।

মহাসড়ক দুটির বিভিন্ন এলাকায় সার্ভিস লেন ও ফুটপাত দখল করে রেখেছেন বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা। কেউ কেউ ভাঙারির মালামাল, স’মিলের কাঠ, ইট-বালু, গাড়ির গ্যারেজের মালামাল রেখে সড়ক দুটির বিভিন্ন অংশ দখল করে রেখেছে।

এছাড়া গ্যারেজের মালিকরা সার্ভিস লেনের ওপর গাড়ি রেখেই মেরামত করছেন। এছাড়া অনেক শিল্প-কারখানার কভার্ডভ্যান সার্ভিস লেনে রেখে তা বন্ধ করে রেখেছে। এতে সার্ভিস লেন দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে এবং ফুটপাত দিয়েও পথচারীরা হাঁটতে পারে না। 

ফলে বাধ্য হয়ে রিকশা-ভ্যান-সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলছে উল্টো পথে এবং মহাসড়কের মাঝ দিয়ে চলাচল করেন পথচারীরা। এতে মহাসড়কে বাড়ছে ঝুঁকি ও দুর্ঘটনা। 

এছাড়াও বিভিন্ন কাপড়ের দোকান, চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন দোকানপাট বসিয়ে ফুটপাত ও সার্ভিস লেন দখলে রেখেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এতে করে বিড়ম্বনা ও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ পথচারীদের।  

এদিকে পুলিশ প্রশাসন এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ফলে নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দুটি। এসব সমস্যার কারণে প্রায়ই যানজট লেগে থাকে সড়কে।  

ফুটপথ ও সার্ভিস লেন দখলে নেওয়া ওই ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বরং সুবিধা নিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন এমন অভিযোগ করছেন অনেকেই।  

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী, বাইমাইল, নতুন বাজার, কোনাবাড়ী ফ্লাইওভার এর পূর্ব পাশসহ বিভিন্ন স্থানে ফুটপথ এবং সার্ভিস লেনও দখল করে রেখেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও রিকশা-ভ্যান রেখে মহাসড়কের অর্ধেকই ব্যারিকেড সৃষ্টি করে রাখেন চালকরা।  

এদিকে কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক, সফিপুর ও পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায়ও এমন দৃশ্য দেখা যায়।
ফুটপথ ও সার্ভিস লেনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠার জন্য প্রতিনিয়তই বিড়ম্বনা ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ। 

এদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চান্দনা চৌরাস্তা, বোর্ডবাজার, সাইনবোর্ড, বাঘের বাজার,গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি,মাওনাসহ নয়নপুর স্কয়ার মাস্টারবাড়ি পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় সবজির দোকান, চায়ের দোকান, গাড়ির গ্যারেজ ও ভাঙারি মালপত্র রেখে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে রেখেছেন স্থানীয়রা। 

মহাসড়কে গাড়ি রেখে নির্মাণ সামগ্রীসহ বিভিন্ন মালামাল উঠানামা করানো হয়। এসব কারণে মানুষ স্বস্তিতে মহাসড়কে চলাচল করতে পারছে না।  সড়কে একটা শৃঙ্খলা থাকবে, সৌন্দর্য থাকবে ও নিরাপত্তা থাকবে। কিন্তু স্বার্থপর ওইসব স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কারণে সেটা নেই গাজীপুরের মহাসড়কগুলোতে।

কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সিদ্দিক বলেন, সড়ক দখল করে কেউ ব্যবসা করতে পারবে না। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখবো।

মহাসড়কে রিকশা-ভ্যান-সিএনজি অটোরিকশা চলছে উল্টো পথে এবং মহাসড়কের মাঝ দিয়ে চলাচল করেন পথচারীরা। এতে মহাসড়কে বাড়ছে ঝুকি ও দুর্ঘটনা। এছাড়াও বিভিন্ন কাপড়ের দোকান, চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন দোকানপাট বসিয়ে ফুটপাত ও সার্ভিস লেন দখলে রেখেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এতে করে বিড়ম্বনা ও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ পথচারীদের।  

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী, বাইমাইল, নতুন বাজার, কোনাবাড়ী ফ্লাইওভার এর পূর্ব পাশসহ বিভিন্ন স্থানে ফুটপাত এবং সার্ভিস লেনও দখল করে রেখেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও রিকশা-ভ্যান রেখে মহাসড়কের অর্ধেকই ব্যারিকেড সৃষ্টি করে রাখেন চালকরা।  

গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ী থানাধীন কোনাবাড়ী কলেজ গেট থেকে কড্ডা পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের সার্ভিস লেন ও ফুটপাত স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দখলে। কোনাবাড়ী ফ্লাইওভার এর পূর্ব পাশে ফুটপাত দখল করে রাখা হয়েছে গাড়ির চাকা, পাম্পার মেশিন, পুরনো ইট, স' মিলের কাঠ। 

এছাড়া ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এক লেন বন্ধ করে বিকল হওয়া গাড়ি রেখে মেরামত করছেন গ্যারেজ মালিকরা। এসব কারণে ওই স্থানে বহুবার সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। কোনাবাড়ী নতুন বাজার এলাকায় মহাসড়কের ওপর ইট ও বালি রাখা হয়, বিভিন্ন দোকানের মালামাল রেখেও ফুটপাত ও সড়ক বন্ধ করে রাখেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।  

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি-ট্রাফিক উত্তর) আহসানুল হক  বলেন, সাধারণ মানুষের অসুবিধা করে কেউ ফুটপাত অথবা সড়ক দখল করতে পারে না। খোঁজ নিয়ে বিষয়টি দেখছি।  

সালনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ হোসেন  বলেন, ফুটপাত ও সার্ভিস লেনে দোকানপাট বসানো হয় এটা ঠিক। কিন্তু আমরা অভিযান চালিয়ে ওইসব দোকানপাট উঠিয়ে দেই। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে 
চলে আসার পর আবারও ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বসায়।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/টিএইচ/আরএএম