তিতাস গ্যাস কতৃপক্ষ এলার বিভিন্ন জনপদে প্রায়শই এ অভিযান পরিচালিত করলেও তারা গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে চলে যাওয়ার কিছুদিন পরই আবার দালাল ও টাউটচক্র মোটা টাকার বিনিময়ে সংযোগ দিয়ে থাকে।
অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক ও এলাকার প্রভাবশালী গোষ্ঠি প্রশাসনের সাথে যোগসাজশে সাধারন মানুষকে ভুলিয়ে ভালিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে থাকে।
এই চক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় বেশিরভাগক্ষত্রেই বাসার মালিকদেরকে অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিতে বাধ্য করে থাকে।আবার আশপাশের বাসায় অবৈধ গ্যাস থাকায় ভাড়াটিয়া ধরে রাখতে অনেকেই দালাল চক্রদের চাহিদা মিটিয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিতে বাধ্য হয়।
জানা গেছে, মহানগরীর গাছা থানা এলাকার সোনাপাড়া, শখীনগর, কুনিয়া ও তারগাছ এলাকায় ১১টি পয়েন্টে শনিবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলা এ অভিযানে গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থান্দার কামরুজ্জামান নেতৃত্বে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিকরণ অভিযান পরিচালিত হয়।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির গাজীপুর জোনের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী নৃপেন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, গোপন তথ্যে অভিযান চালিয়ে ৬০০টি বাড়ির আনুমানিক ১ হাজার ২০০ অবৈধ চুলায় গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এ সময় অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের দায়ে ৮ জন আবাসিক গ্যাস গ্রহণকারীকে মোট ৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এসব এলাকার ভূক্তভূগীরা জানান, তিতাস গ্যাস অভিযান পরিচালনা করে যে জরিমানা আদায় করেন তা সামান্যই।বাড়ির মালিকরা জরিমানার টাকা ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে নানা কৌশলে আদায় করে থাকেন।
ফলে অভিযানের কিছুদিনের মধ্যেই তারা আবার দালাল চক্রের যোগসাজশে নতুন করে সংযোগ নিয়ে থাকেন।অবৈধ সংযোগের ফলে শিল্প প্রতিষ্ঠানে গ্যাসের চাপ কম থাকে বলে উৎপাদন ব্যাহত হয়।
তারা বলেন, অবৈধ সংযোগকারিদের মোটা অংকের জরিমানা ও জেল হলে হয়ত এ সমস্যার নিরসন হত।
ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/এমআর/আরএএম